কেন কিছু মানুষ আপনাকে হিংসা করেন, কেন অপছন্দ করেন? জন্মতারিখেই লুকিয়ে সেই উত্তর!
নিজস্ব সংবাদদাতা
১১ জুন ২০২৬ ১০ : ৫৫
শেয়ার করুন
1
12
প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই এমন কিছু বিশেষ গুণ থাকে, যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে। অনেক সময় আমরা নিজেরাও বুঝতে পারি না, কোন গুণে অন্যদের কাছে আকর্ষণীয় বা ঈর্ষণীয় হয়ে উঠলেন।
2
12
সংখ্যাতত্ত্ব বা নিউমেরোলজি অনুযায়ী, জন্মতারিখের সঙ্গে মানুষের ব্যক্তিত্বের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সেই জন্মসংখ্যাই নাকি বলে দিতে পারে, আপনার কোন গুণে অন্যরা আপনাকে সবচেয়ে বেশি হিংসা করেন।
3
12
যাঁদের জন্ম ১, ১০, ১৯ বা ২৮ তারিখে, তাঁদের মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা স্বাভাবিকভাবেই থাকে। আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ় মনোভাবের কারণে তাঁরা অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা হলেও, এই গুণই আবার অন্যদের ঈর্ষার কারণ হতে পারে।
4
12
২, ১১, ২০ বা ২৯ তারিখে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিরা সাধারণত অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সহানুভূতিশীল হন। চন্দ্রের প্রভাবে মানুষের মন বোঝার ক্ষমতা এবং সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা তাঁদেরকে বিশেষ করে তোলে। ফলে অনেকেই তাঁদের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতাকে হিংসা করেন।
5
12
৩, ১২, ২১ বা ৩০ তারিখে জন্মানো মানুষদের সৃজনশীলতা এবং বুদ্ধিমত্তা নজরকাড়া। যেকোনও পরিবেশে সহজেই নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা তাঁদের অন্যতম শক্তি। বৃহস্পতির প্রভাবে আধ্যাত্মিক জ্ঞানও এদের প্রখর৷ এই কারণেই অনেকেই তাঁদের হিংসা করেন৷
6
12
৪, ১৩, ২২ বা ৩১ তারিখে জন্মগ্রহণকারীরা পরিশ্রমী ও বাস্তববাদী হন। কঠিন পরিস্থিতিতেও স্থির থেকে লক্ষ্যপূরণের দিকে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা তাঁদের সাফল্যের পথে নিয়ে যায়, যা অনেকের চোখে ঈর্ষার কারণ হয়ে ওঠে।
7
12
৫, ১৪ বা ২৩ তারিখে জন্মানো ব্যক্তিদের স্বাধীনচেতা মনোভাব এবং সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাঁদের আলাদা পরিচিতি দেয়। নতুন কিছু শেখার প্রতি আকর্ষণও তাঁদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সাহসের কারণে এবং যেখানেই যান সেখানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠার জন্য তাঁরা অনেক সময় হিংসার কারণ হয়৷
8
12
৬, ১৫ বা ২৪ তারিখে জন্ম নেওয়া মানুষেরা সাধারণত আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হন। তাঁদের সৌন্দর্যবোধ, দায়িত্বজ্ঞান এবং সম্পর্কের প্রতি আন্তরিকতা অন্যদের মুগ্ধ করে। এদের সৃজনশীলতা এবং অন্যকে আকর্ষণ করার ক্ষমতা এদেরকে ঈর্ষনীয় করে তোলে৷
9
12
৭, ১৬ বা ২৫ তারিখে জন্মানো ব্যক্তিদের গভীর চিন্তাভাবনা ও আধ্যাত্মিক মনোভাব তাঁদের বিশেষ করে তোলে। এরা নিজের পরিসরে অন্যকে ঢুকতে দিতে চান না। এরা অহেতুক লোকজনের কথাবার্তা পছন্দ করেন না। এই কারণে অনেকের চক্ষুশূল হয়ে থাকেন৷
10
12
৮, ১৭ বা ২৬ তারিখে জন্ম নেওয়া মানুষদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং লক্ষ্যপূরণের দৃঢ়তা তাঁদের সবচেয়ে বড় শক্তি। শনির প্রভাবে এরা পরিশ্রমী এবং নিয়ম মেনে চলা পছন্দ করেন৷ সত্যিকে সত্য এবং মিথ্যাকে সকলের সামনে মিথ্যা বলার সাহস এবং সাফল্যের প্রতি তাঁদের একাগ্রতা অনেক সময় অন্যদের হিংসার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
11
12
অন্যদিকে, ৯, ১৮ বা ২৭ তারিখে জন্মানো ব্যক্তিরা মঙ্গলের প্রভাবে সাহসী, উদ্যমী এবং আত্মবিশ্বাসী হন। অন্যের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তাঁদের সকলের প্রিয় করে তোলে। যে কোনও পরিস্থিতিতে এরা লড়াই করে জিতে যায়৷ এই কারণেই অনেকে তাঁদের সাফল্য এবং আত্মবিশ্বাসকে ঈর্ষা করে৷
12
12
তবে মনে রাখতে হবে, সংখ্যাতত্ত্ব একটি বিশ্বাসভিত্তিক চর্চা। বাস্তবে একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব গড়ে ওঠে তাঁর অভিজ্ঞতা, পরিবেশ ও জীবনযাপনের নানা উপাদানের সমন্বয়ে।