চৈত্র শেষে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে জারি রয়েছে তীব্র দাবদাহ। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যের অবনতি ও 'হিট স্ট্রোক' থেকে বাঁচাতে বিশেষ সতর্কতামূলক পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
2
10
চিকিৎসকদের মতে, শরীরে জলের অভাব ও অত্যাধিক তাপে প্রধানত দুই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়- হিট এক্সহউশন ও হিট স্ট্রোক। তীব্র গরমে শরীর থেকে প্রচুর ঘাম বের হয় এবং হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়।
3
10
অন্যদিকে, হিট স্ট্রোক অত্যন্ত বিপজ্জনক। এক্ষেত্রে শরীরের তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে গেলেও শরীর আর ঘাম তৈরি করতে পারে না। এর ফলে অঙ্গ বিকল হওয়া থেকে শুরু করে মৃত্যুর ঝুঁকিও থাকে।
4
10
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাধারণ মানুষের তেষ্টা না পেলেও নিয়মিত জলপান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাইরে বেরোলে হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরার পাশাপাশি ছাতা, টুপি বা সানগ্লাস ব্যবহার করা জরুরি।
5
10
খাবারের তালিকায় ভাজাভুজির বদলে হালকা ও সহজপাচ্য খাবারের পাশাপাশি তরমুজ, শসা ও জলীয় ফল রাখা প্রয়োজন। বিশেষ করে লেবুর জল, ওআরএস বা ঘোল শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
6
10
পাশাপাশি, তীব্র রোদে শারীরিক পরিশ্রমসাধ্য কাজ এড়িয়ে চলা এবং দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
7
10
চা, কফি বা অ্যালকোহল শরীরকে দ্রুত জলশূন্য করে দেয়। তাই গরমের এই দিনগুলিতে এগুলো এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। এছাড়া বন্ধ গাড়ির ভেতরে শিশু বা পোষ্যদের একা রেখে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
8
10
যদি কেউ রোদে অসুস্থ হয়ে পড়েন, তবে তাকে দ্রুত ছায়ায় নিয়ে এসে ভিজে কাপড় দিয়ে সারা শরীর মুছিয়ে দিতে হবে। রোগীর জ্ঞান থাকলে ওআরএস পান করানো প্রয়োজন।
9
10
পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হলে অবিলম্বে নিকটবর্তী হাসপাতাল বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে বলছে স্বাস্থ্য দপ্তর।
10
10
হাওয়া অফিসের খবর অনুযায়ী, গরমের এই দাপট আরও কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে। তাই সাবধান থাকাই এখন সুস্থ থাকার একমাত্র উপায়।