রাজ্যে সপ্তম পে কমিশন গঠন করা হয়ে গিয়েছে। এখন জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি। দফায় দফায় আলোচনা, পর্যালোচনা। কারণ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর লক্ষ্য, চলতি অর্থবর্ষের শেষেই সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম পে কমিশন চালু করা।
2
9
কিন্তু এই নয়া পে কমিশন চালু হওয়ার আগেই মাথায় হাত পড়ল হাজার হাজার সরকারি কর্মীর। কারণ? ১৫ হাজার সরকারি কর্মী ইতিমধ্যেই বাদ পড়লেন সপ্তম পে কমিশনের আওতা থেকে।
3
9
এই ১৫ হাজার সরকারি কর্মী কারা? সূত্রের খবর, রাজ্যের সমস্ত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ও তিনটি স্বশাসিত পর্ষদ মিলিয়ে মোট ১৫ হাজার কর্মী এই নয়া পে কমিশনের আওতা থেকে বাদ পড়েছেন।
4
9
জানা গিয়েছে, শুধু রাজ্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১৩ হাজার কর্মীর নাম বাদ পড়েছে তালিকা থেকে। গত ২৯ জুলাই যে যে সংস্থার তালিকা রাজ্য সরকারের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে, সেই তালিকায় এই কর্মীদের নাম নেই।
5
9
রাজ্য সরকারি ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ এবং মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদের কর্মীরাই সপ্তম পে কমিশনের আওতা থেকে বাদ পড়াদের তালিকায় রয়েছেন।
6
9
যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত শিক্ষক, আধিকারিকরা নয়া পে কমিশনের অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তবে বিভিন্ন বোর্ডের আধিকারিকরা এখনও সপ্তম পে কমিশনের আওতার মধ্যে নেই বলেই জানা গিয়েছে।
7
9
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী ইউনিয়ন ইতিমধ্যে রাজ্যের অর্থ এবং উচ্চশিক্ষা দপ্তরের দ্বারস্থ হয়েছে নয়া পে কমিশনে যুক্ত করার দাবিতে।
8
9
পাশাপাশি ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি কর্মচারী পরিষদের তরফেও রাজ্যের অর্থদপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব প্রভাতকুমার মিশ্রের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। যেখানে পে কমিশনে এই কর্মীদের যুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।
9
9
সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে ভাস্কর ঘোষ জানান, “এই সিদ্ধান্ত একেবারেই সঠিক নয়। আমরা সরকারের কাছে জানাব এই ১৫ হাজার কর্মী সরকারি কর্মী। এঁদের পে কমিশনের আওতায় আনা হোক।”