ঝুঁকিহীন বিনিয়োগ এবং নিশ্চিত রিটার্নের জন্য দেশের প্রবীণ নাগরিকদের প্রথম পছন্দ ফিক্সড ডিপোজিট বা এফডি। অবসর জীবনের সঞ্চয় সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি নিয়মিত বা মেয়াদ শেষে লাভজনক আয় নিশ্চিত করতে ব্যাংকের এফডি অত্যন্ত জনপ্রিয়। পাঁচ বছরের মেয়াদে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সুদের হারের সামান্য ফারাকও ম্যাচিউরিটির চূড়ান্ত পরিমাণের ওপর বড় প্রভাব ফেলে।
2
9
সম্প্রতি দেশের শীর্ষস্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে ৫ বছরের ফিক্সড ডিপোজিটে বয়স্ক নাগরিকদের সুদের হার এবং ৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগে ম্যাচিউরিটি ও অর্জিত সুদের পরিমাণ নিয়ে একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। দেখে নেওয়া যাক কোন ব্যাংক কত সুদ দিচ্ছে।
3
9
অ্যাক্সিস ব্যাংক: প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ৫ বছরের মেয়াদের এফডিতে সবচেয়ে বেশি ৭.২৫% হারে সুদ দিচ্ছে অ্যাক্সিস ব্যাংক। এখানে ৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলে ৫ বছর পর মেয়াদের শেষে আনুমানিক ৭,১৬,১৩০ টাকা পাওয়া যাবে। অর্থাৎ মোট অর্জিত সুদের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ২,১৬,১৩০ টাকা।
4
9
আইসিআইসিআই ব্যাংক: এই বেসরকারি ব্যাংকটি প্রবীণ নাগরিকদের ৫ বছরের এফডিতে ৭.১০% হারে সুদ অফার করছে। এই হারে ৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলে ম্যাচিউরিটিতে আনুমানিক ৭,১০,৮৭৩ টাকা মিলবে, যেখানে অর্জিত সুদ ২,১০,৮৭৩ টাকা।
5
9
স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া: দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এসবিআই প্রবীণ নাগরিকদের স্কিমের অধীনে অতিরিক্ত ৫০ বেসিস পয়েন্টসহ ৫ বছরের মেয়াদের এফডিতে ৭.০৫% সুদ দিচ্ছে। ৫ লক্ষ টাকার বিনিয়োগ ৫ বছর পর বেড়ে আনুমানিক ৭,০৯,১২৯ টাকা হবে, যার মধ্যে মোট সুদের পরিমাণ প্রায় ২,০৯,১২৯ টাকা।
6
9
পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক: পিএনবি-তে বয়স্ক নাগরিকদের জন্য ৫ বছরের মেয়াদের এফডিতে সুদের হার ৬.৮০%। ৫ লক্ষ টাকা গচ্ছিত রাখলে ৫ বছর শেষে বিনিয়োগকারী পাবেন আনুমানিক ৭,০০,৪৬৯ টাকা ।
7
9
কানারা ব্যাংক: কানারা ব্যাংক সিনিয়র সিটিজেনদের ৫ বছরের এফডিতে ৬.৭৫% সুদ দিচ্ছে। এখানে ৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলে ৫ বছরে আনুমানিক ৬,৯৮,৭৪৯ টাকা পাওয়া যাবে, অর্থাৎ সুদ বাবদ মিলবে ১,৯৮,৭৪৯ টাকা।
8
9
এইচডিএফসি ব্যাংক: এইচডিএফসি ব্যাংক প্রবীণ নাগরিকদের ৫ বছরের মেয়াদের সঞ্চয়ে ৬.৬৫% সুদ অফার করছে। এই ব্যাংকে ৫ লক্ষ টাকা জমা রাখলে ম্যাচিউরিটির সময় মিলবে আনুমানিক ৬,৯৫,৩২২ টাকা ।
9
9
প্রবীণ নাগরিকরা তাঁদের সঞ্চয়ের নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদে ভাল রিটার্ন নিশ্চিত করতে এই ব্যাংকগুলোর সুদের হার ও সুবিধা বিচার-বিবেচনা করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে বিনিয়োগের আগে সমস্ত তথ্য ভাল করে দেখে নিতে ভুলবেন না।