বিদেশ সফরে এসেও চেখে দেখেন না কোনও খাবার, নিজস্ব রাঁধুনি এবং খাদ্য পরীক্ষক থাকেন সঙ্গে, সারাদিন কী কী খান পুতিন?
নিজস্ব সংবাদদাতা
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯ : ৪৪
শেয়ার করুন
1
12
পুতিনের খাবারেও কড়া নিরাপত্তা! মাংস নয় পছন্দের মাছ রাঁধেন রাশিয়ান শেফ, বানানো খাবার ছাড়া কিছু খান না, একাধিক পরীক্ষায় পাশ করলে তবেই পাতে খাবার পড়ে রুশ প্রেসিডেন্টের?
2
12
রাষ্ট্রপ্রধানদের বিদেশ সফর মানেই জাঁকজমক, বিশেষ মেনু এবং আয়োজক দেশের নানা পদ চেখে দেখার সুযোগ। কিন্তু রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ক্ষেত্রে ছবিটা বেশ আলাদা।
3
12
তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেমন কঠোর, তেমনই কড়া তাঁর খাবারের নিয়মও। বিদেশ সফরে গিয়ে তাঁর প্লেটে কী উঠবে, তা নিয়েও চলে দীর্ঘ প্রস্তুতি এবং একাধিক নিরাপত্তা পরীক্ষা।
4
12
রিপোর্ট অনুযায়ী, পুতিনের সফরসঙ্গী হন রাশিয়ার নিজস্ব রাঁধুনি ও বিশেষ কর্মীদের একটি দল। বিদেশের হোটেল বা আয়োজক দেশের রান্নাঘরের তৈরি খাবার সাধারণত তাঁর জন্য সরাসরি পরিবেশন করা হয় না।
5
12
বরং তাঁর খাবার আলাদা জায়গায়, নির্দিষ্ট প্রোটোকল মেনে তৈরি করা হয়। খাবারের উপকরণও আগে থেকে যাচাই করে নেওয়া হয়।
6
12
সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হল, তাঁর সফরের সঙ্গে খাবার পরীক্ষার বিশেষ ব্যবস্থাও থাকার কথা জানা যায়। খাবার পরিবেশনের আগে তা পরীক্ষা করা হয়, যাতে কোনও ধরনের বিষক্রিয়া বা খাদ্যজনিত ঝুঁকি না থাকে।
7
12
অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় সফরে একটি ডিনারও তাঁর ক্ষেত্রে নিছক ডিনার নয়—তার পিছনে থাকে বিশাল নিরাপত্তা পরিকল্পনা।
8
12
তবে এত কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও পুতিনের খাদ্যাভ্যাস নাকি বেশ সাধারণ। তাঁর পছন্দের তালিকায় রয়েছে রাশিয়ান কটেজ চিজ বা ‘তভোরোগ’, মধু, পোরিজের সঙ্গে খেয়ে থাকেন৷
9
12
প্রতিদিন তাজা ফলের রস খান পুতিন৷ সঙ্গে কোয়েলের ডিম বা ওমলেট খান৷ এবং বিভিন্ন ধরনের মাছ খেতে ভালবাসেন পুতিন৷ স্মোকড ফিশ এর বিভিন্ন পদ থাকে পাতে।
10
12
রেড মিটের তুলনায় মাছ তাঁর বেশি পছন্দের বলে বিভিন্ন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। সঙ্গে থাকে টমেটো, শসার মতো সাধারণ সবজি দিয়ে তৈরি সালাদ।
11
12
চিনি, অতিরিক্ত মিষ্টি, ভারী পেস্ট্রি বা খুব সমৃদ্ধ খাবার থেকে তিনি সাধারণত দূরে থাকেন বলেও জানা যায়। অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবারও বিশেষ খান না ৭৩ বছর বয়সি এই রাষ্ট্রনেতা৷ তবে তাঁর নাকি পেস্তা আইসক্রিমের প্রতি দুর্বলতা রয়েছে!
12
12
অর্থাৎ, পুতিনের খাবারের গল্পে একদিকে যেমন রয়েছে স্বাস্থ্যকর ও পরিমিত খাদ্যাভ্যাস, অন্যদিকে রয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিদেশ সফরে কোনও দেশের আতিথেয়তা গ্রহণ করলেও তাঁর খাবারের নিয়ন্ত্রণ থাকে মূলত নিজের দলের হাতেই।