শুক্র-শনি মুখোমুখি, আটকে থাকা টাকা ফিরে পাওয়া ছাড়াও একাধিক সমস্যার সমাধান, কী বলছে জ্যোতিষশাস্ত্র?
নিজস্ব সংবাদদাতা
২১ আগস্ট ২০২৬ ১৯ : ১৬
শেয়ার করুন
1
7
২১ আগস্ট ২০২৬-এ জ্যোতিষশাস্ত্রের বিচারে তৈরি হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রহগত অবস্থান, শুক্র ও শনির মুখোমুখি অবস্থান। জ্যোতিষমতে, এই দুই গ্রহের প্রতীকী অর্থ একেবারেই আলাদা।
2
7
শুক্র যুক্ত আরাম, বিলাসিতা, ভালবাসা, ইচ্ছাপূরণ এবং অর্থের সহজ প্রবাহের সঙ্গে। অন্যদিকে শনি বোঝায় দায়িত্ব, নিয়ম, সীমাবদ্ধতা, পরিশ্রম এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা। ফলে শুক্র-শনির এই অবস্থানকে অর্থনৈতিক বিষয়ে পুরনো ভুলের হিসাব মেটানো এবং নতুন করে আর্থিক শৃঙ্খলা তৈরির সময় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
3
7
জন্মতারিখ ১, ১০, ১৯ ও ২৮ হলে অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের জন্য আরও সংগঠিত পরিকল্পনা করার সময় হিসেবে এই গ্রহগত অবস্থানকে দেখা হচ্ছে।
4
7
২, ১১, ২০ এবং ২৯ তারিখে জন্মানো ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও পুরনো আর্থিক বিষয় নিয়ে নতুন করে ভাবার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই সময় আবেগের বশে টাকা খরচ করার পরিবর্তে ভবিষ্যতের প্রয়োজন মাথায় রেখে পরিকল্পনা করার পরামর্শই সংখ্যাতত্ত্বের এই ব্যাখ্যার মূল কথা।
5
7
৪, ১৩, ২২ এবং ৩১ তারিখে জন্মানো ব্যক্তিদের অর্থনৈতিক বিষয়ে পরিকল্পনা করতে হতে পারে৷ অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত এই সময়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
6
7
যাঁদের জন্মতারিখ ৬, ১৫ অথবা ২৪, তাঁদের জন্য এই সময়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ৷ শুক্রের সঙ্গে যুক্ত এই ৬ সংখ্যার জাতকদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কোনও আর্থিক বিষয় নতুন করে সামনে আসতে পারে। পুরনো দেনা, অপ্রয়োজনীয় খরচ অথবা অর্থ সংক্রান্ত কোনও ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
7
7
৮, ১৭ এবং ২৬ তারিখে জন্মানো ব্যক্তিদের মূল সংখ্যা ৮। এই সংখ্যা শনির সঙ্গে যুক্ত। তাই শুক্র-শনির Opposition-এর সময়ে তাঁদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের কোনও ঋণ, বকেয়া বা আর্থিক চাপ কীভাবে সামলানো যায়, সেই বিষয়ে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ আসতে পারে।