আরও এক পদক্ষেপ ট্রাম্পের। মার্কিন প্রেসিডেন্ট, নির্দিষ্ট কিছু আমদানিকৃত পেটেন্টযুক্ত ওষুধ এবং সেগুলোর মূল উপাদানগুলির উপরে শতভাগ অর্থাৎ একশ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন।
2
8
কারণ হিসেবে জানা গিয়েছে, ট্রাম্পের উদ্দেশ্য হল, ওষুধ প্রস্তুতকারকদের উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তর করা এবং সরাসরি আমেরিকান ভোক্তাদের কাছে কম দামে তা সরবরাহ করতে বাধ্য করা।
3
8
অন্যদিকে, যেসব কোম্পানি ‘মোস্ট ফেভারড নেশন’ মূল্য নির্ধারণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে এবং পেটেন্টকৃত ওষুধ ও এর কাঁচামালের দেশীয় উৎপাদনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে সক্রিয়ভাবে কারখানা স্থাপন করছে, তাদের ওপর শূন্য শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।
4
8
যেসব কোম্পানির মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত কোনো চুক্তি নেই কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের প্রকল্প নির্মাণ করছে, তাদের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক প্রযোজ্য হবে, যা চার বছরের মধ্যে বেড়ে ১০০ শতাংশ হবে।
5
8
ট্রাম্প সিদ্ধান্ত গ্রহণের কারণ হিসেবে জানিয়েছেন, ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল আমদানির কারণে জাতীয় নিরাপত্তার যে সম্ভাব্য ক্ষতি হতে পারে, সেই বিষয়টির মোকাবিলার কারণেই এই সিদ্ধান্ত।
6
8
জানা গিয়েছে, এই শুল্ক কার্যকরের বিষয়ে বড় সংস্থাগুলির জন্য ১২০ দিন অর্থাৎ চার মাস এবং ছোট প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির জন্য ১৮০দিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর থেকেই প্রশ্ন, এতে মোদির 'বন্ধু' নীতি কতটা প্রভাবিত হবে?
7
8
কতটা প্রভাব পড়বে ভারতের উপর? ওয়াকিবহাল মহলের মতে, স্বল্প মেয়াদের রপ্তানিতে এর প্রভাব সেভাবে না পড়লেও, দীর্ঘমেয়াদি রপ্তানিতে বড় প্রভাব পড়বে।
জেনেরিক ওষুধের ক্ষেত্রে ভারতীয় সংস্থাগুলির বাজার গোটা বিশ্বজুড়ে। এই নয়া শুল্ক-ক্ষেত্রে তাতে খুব একটা প্রভাব যদিও পড়বে না বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।
8
8
তবে আশঙ্কা, দীর্ঘ মেয়াদে, পেটেন্টকৃত ওষুধ এবং সক্রিয় ঔষধীয় উপাদানগুলোর উপর চড়া শুল্ক কেবল মার্কিন মুলুকের ক্ষেত্রে নয়, বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলকে প্রভাবিত করতে পারে।