অনেক সময় দেখা যায়, সব কিছু ঠিকঠাক চললেও হঠাৎ করেই কাজে বাধা আসছে, শরীর ভাল যাচ্ছে না বা মন অস্থির হয়ে উঠছে। বহু মানুষ এই ধরনের পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেন কুনজর বা অশুভ দৃষ্টিকে। জ্যোতিষশাস্ত্রে অন্যের ঈর্ষা বা নেতিবাচক মনোভাব থেকেই কুনজরের সৃষ্টি হয় বলে মনে করা হয়।
2
9
যদিও আধুনিক বিজ্ঞানে কুনজরের কোনও প্রমাণ নেই, তবুও এদেশে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই বিশ্বাস চলে আসছে। একইসঙ্গে কুনজরের প্রভাব কমানোর কিছু সহজ উপায়ও প্রচলিত রয়েছে।
3
9
শুকনো লঙ্কা পোড়ানো: যিনি কুনজরের শিকার হয়েছেন তার চারপাশে সাতটি শুকনো লঙ্কা নিয়ে কয়েকবার ঘোরানো হয়। এরপর লঙ্কাগুলো জ্বালিয়ে দিলে কুনজরের প্রভাব নষ্ট হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। গ্রাম থেকে শহর-এই পদ্ধতি বহু পরিবারে আজও প্রচলিত।
4
9
নুন ও সরষের ব্যবহার: বিট নুন ও সরষে একসঙ্গে নিয়ে শরীরের চারপাশে ঘোরানো হয় এবং পরে বাইরে ফেলে দেওয়া হয়। কথিত রয়েছে, এই দুটি উপাদান নেতিবাচক শক্তি শোষণ করতে সক্ষম।
5
9
কালো টিপ বা কাজলের ব্যবহার: এই নিয়মও বহু পুরনো। শিশু হোক বা প্রাপ্তবয়স্ক, কানের পাশে, গালে কিংবা পায়ের তলায় ছোট কালো দাগ দেওয়া হয়। এতে কু-নজরের প্রভাব কমে বলে মনে করা হয়।
6
9
নারকেল উপারি: একটা গোটা নারকেল ব্যক্তির চারপাশে ঘুরিয়ে কোনও খোলা জায়গায় ভেঙে ফেলা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এতে খারাপ শক্তি দূরে সরে যায়।
7
9
কালো সুতোর ব্যবহার: অনেকেই কালো সুতো বা রক্ষা সুতো হাতে বা পায়ে বাঁধেন। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই প্রথা বেশি দেখা যায়।
8
9
জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে, কুনজর এড়াতে নিজের সাফল্য বা ব্যক্তিগত সুখ সব জায়গায় প্রকাশ না করাই ভাল। পাশাপাশি ইতিবাচক মনোভাব রাখা ও মানসিক শান্তি বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
9
9
তবে বিশেষজ্ঞরা এমনটাও মনে করেন যে এই সব নিয়মই লোকবিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক ধারণার উপর ভিত্তি করে চালু রয়েছে। শারীরিক বা মানসিক সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।