জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, মানুষের ব্যক্তিত্বের ওপর রাশিচক্রের প্রভাব অপরিসীম। বিশেষ করে সততা বা মনের ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে একেক রাশির মানুষের ধরণ একেক রকম হয়। কেউ কেউ যেমন খুব সহজেই নিজের আবেগ লুকিয়ে ফেলতে পারেন, আবার কারও ক্ষেত্রে সত্যি গোপন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এমন পাঁচটি রাশির কথা, যারা শত চেষ্টা করেও গুছিয়ে মিথ্যা বলতে পারেন না।
2
7
এই তালিকার শুরুতেই আছেন কর্কট রাশির জাতক-জাতিকারা। তারা মূলত আবেগপ্রবণ এবং সহজাতভাবেই অত্যন্ত স্বচ্ছ মনের মানুষ। এরা যখনই কোনও কথা লুকানোর চেষ্টা করেন, তাদের চোখের ভাষা বা গলার স্বর বদলে যায়। সেই অস্বস্তি থেকে তাদের মনের অবস্থা খুব সহজেই ধরা পড়ে যায়।
3
7
একইভাবে কন্যা রাশির মানুষদের ক্ষেত্রেও মিথ্যা বলা বেশ কঠিন। তারা প্রতিটি বিষয় নিয়ে এত সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করেন যে, সামান্য কোনও ভুল তথ্য দিতে গেলেই তারা দ্বিধায় পড়ে যান। তাদের চিন্তাশীল মুখাবয়বই বলে দেয় যে তারা কিছু গোপন করছেন।
4
7
আবার ধনু রাশির মানুষরা পরিচিত তাদের স্পষ্টবাদিতার জন্য। সরাসরি কথা বলতে পছন্দ করেন বলে কোনো কিছু লুকানোর চেষ্টা করলেই তাদের মধ্যে এক ধরণের আড়ষ্টতা চলে আসে। হুট করে কথা থামিয়ে দেওয়া বা অভিব্যক্তির পরিবর্তন তাদের সত্য গোপন করার চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দেয়।
5
7
অন্যদিকে মীন রাশির জাতকরা এতটাই সংবেদনশীল যে, তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বা চোখের চাহনি দেখলেই বোঝা যায় তারা মনে এক আর মুখে অন্য কথা বলছেন।
6
7
সিংহের মতো তেজস্বী রাশির মানুষেরাও কিন্তু মিথ্যা বলায় খুব একটা পটু নন। তারা সাধারণত নাটকীয় এবং আত্মবিশ্বাসী প্রকৃতির হন। তবে যখনই তারা কোনও সত্য এড়ানোর চেষ্টা করেন, তাদের অঙ্গভঙ্গি অতিরিক্ত নাটকীয় বা অতি-আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে। এই বাড়তি নাটকীয়তাই তাদের আসল রূপটি সামনে নিয়ে আসে।
7
7
মূলত এই পাঁচ রাশির মানুষের চারিত্রিক গঠন এমন যে, তারা মনের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনও মিথ্যাকে বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেন না। তাই রাশিচক্রের বিচারে এদেরকে সবচেয়ে বিশ্বস্ত এবং সৎ বলে গণ্য করা হয়।