অ্যালবাট্রোস: সমুদ্রের ধারে দেখা যায় এই পাখি। নাম হল অ্যালবাট্রোস। এরা যুগের পর যুগ ধরে এক সমুদ্র থেকে অন্য সমুদ্রে উড়ে যায়। এই দীর্ঘপথে এরা নিজে থেকেই ঘুমিয়ে পড়ে। আকাশে ওড়ার সময়তেই এই কাজ করে।
2
8
আর্কটিক টার্ন: আকাশের বুকে দীর্ঘসময় ধরে উড়ে বেড়াতে পারে এই প্রাণী। এক মেরু থেকে অন্য মেরুতে এরা উড়ে যায়। এই দীর্ঘপথে এরা সহজেই ঘুমিয়ে পড়ে।
3
8
বার টেলড গুডইউট: একবারে ৭ হাজার মাইল উড়ে যেতে পারে এই পাখি। ফলে এই দীর্ঘপথে এরা অতি সহজেই ঘুমিয়ে নিয়ে নিজেদের এনার্জি পূরণ করে নেয়।
4
8
ফ্রাইগেট বার্ড: বাতাসে অতি সহজে ভেসে থাকা এদের কাছে জলভাতের সমান। এরা হাল্কা চালে বাতাসে উড়তে পারে। নিজেদের এনার্জি ধরে রাখতে এরা ওড়ার সময় খানিকটা ঘুমিয়ে নিতে পারে।
5
8
গ্রিট স্নিপ: দীর্ঘপথ অতি সহজেই উড়তে পারে গ্রেট স্নিপ। এরা একবারে হাজার হাজার মাইল উড়ে যেতে পারে। ফলে সেই সময় এরা হাল্কাভাবে ঘুমিয়ে পড়ে।
6
8
নর্থদান ওয়েটএয়ার: এক দেশ থেকে অন্য দেশে উড়ে যেতে পারে অতি সহজেই। পরিযায়ী পাখি বলে পরিচিত বলে এরা আকাশেই খানিক ঘুমিয়ে নেয়।
7
8
স্যান্ডপাইপার: এরা আকাশের বুকেই ডিম পাড়ে। সেখান থেকেই বাচ্চা বের হয়ে যায়। সেই সময়ে এরা খানিকটা ঘুমিয়ে নিতে পারে। আকাশেই এদের বাচ্চারা উড়তে শিখে যায়।
8
8
সোয়ালো: এরা আকারে ছোটো হলেও কম সময়ে দীর্ঘপথ অতিক্রম করতে পারে। ফলে সেই সময় এরা খানিকটা ঘুমিয়ে নেয়।