আজ ১লা এপ্রিল, ২০২৬। সারা বিশ্ব মেতেছে একে অপরকে বোকা বানানোর নির্ভেজাল আনন্দে। বন্ধু, পরিবার বা সহকর্মীদের সঙ্গে করা ছোটখাটো এবং নিরীহ সব রসিকতা শেষে সেই চিরচেনা চিৎকার — ‘এপ্রিল ফুল!’ (
2
10
তবে এই প্রথাটি কেবল নিছক মজার নয় কিন্তু। এর পেছনে রয়েছে শত বছরের পুরনো ইতিহাস।
3
10
ইতিহাসবিদদের মতে, এই উৎসবের শিকড় লুকিয়ে আছে ১৫৮২ সালের ফ্রান্সে। যখন ফ্রান্স জুলিয়ান ক্যালেন্ডার ছেড়ে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার গ্রহণ করে, তখন বছরের শুরু ১লা এপ্রিল থেকে সরিয়ে ১লা জানুয়ারি করা হয়।
4
10
যারা এই খবর দেরিতে পেয়েছিলেন এবং ১লা এপ্রিলকেই নববর্ষ হিসেবে পালন করে যাচ্ছিলেন, তাঁদের নিয়েই শুরু হয় হাসি-ঠাট্টা। তাঁদের নাম দেওয়া হয় ‘এপ্রিল ফুল’।
5
10
অনেকে আবার এই দিনটিকে প্রাচীন রোমের ‘হিলারিয়া’ উৎসবের সঙ্গে তুলনা করেন, যেখানে ছদ্মবেশ ধারণ করে একে অপরকে নিয়ে ঠাট্টা করা হতো।
6
10
মজার বিষয় হলো, বসন্তের শুরুতে ভারতীয় ‘হোলি’, পারস্যের ‘সিজদাহ বেদার’ কিংবা ইহুদিদের ‘পুড়িম’— প্রতিটি উৎসবই কিন্তু আনন্দ এবং আমোদের বার্তা দেয়। এই সব উৎসবেই রয়েছে আনন্দ, রঙ আর মজার উপাদান।
7
10
তবে একটা কথা। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে মিডিয়া এবং বড় বড় সংস্থাগুলোও বিভিন্ন মজার ভুয়া খবর ছড়িয়ে এই দিনটিকে উদযাপন করছে। তবে মনে রাখা জরুরি, রসিকতা যেন সবসময়ই ক্ষতিকর নয় এবং আনন্দদায়ক হয়।
8
10
মিথ্যে গুজব ছড়িয়ে কাউকে বিপদে না ফেলে, নির্মল হাসির মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করাই এর আসল উদ্দেশ্য। তাই মজা হোক, কিন্তু হোক ভালবাসা আর আনন্দে ভরা।
9
10
কারণ, দিনের শেষে একটা ছোট্ট হাসিই তো সবচেয়ে বড় ‘ট্রিক’, যা সবাইকে একসঙ্গে জুড়ে রাখে।
10
10
তা আজকের দিনে আপনি কি কাউকে বোকা বানালেন, নাকি নিজেই 'এপ্রিল ফুল' হলেন?