দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে: নয়ের দশকে মুক্তি পাওয়ামাত্রই ইতিহাস তৈরি করেছিল শাহরুখ-কাজলের এই ছবি। বলিউডে প্রেমের ছবির গতিপথ-ই পাল্টে দিয়েছিল 'ডিডিএলজে'। ‘রোম্যান্টিক হিরো’ হিসাবে শাহরুখ খানকে বিশ্ব দরবারে জনপ্রিয় করে তুলেছিল এই ছবিই। সর্ষের খেতে ম্যান্ডোলিন হাতে তরুণ রাজের ক্যারিশমায় মুগ্ধ হয়েছিলেন দর্শক। আসমুদ্রহিমাচল ভারতের এই প্রিয় প্রেমের ছবি আজকের দিনে কাছের মানুষের সঙ্গে দেখে ফেলতে পারেন আপনিও।
2
4
রাঞ্ঝনা: ২০১৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল আনন্দ এল রাইয়ের ‘রাঞ্ঝনা’। ওই ছবির মাধ্যমেই বলিউডের দর্শকের কাছে পরিচিতি পেয়েছিলেন দক্ষিণী তারকা ধনুষ। ‘রাঞ্ঝনা’র মাধ্যমে এক অন্য ধরনের প্রেমের গল্প বলেছিলেন পরিচালক আনন্দ এল রাই। প্রেমের মধ্যে যে লুকিয়ে থাকে বিরহ, আকুলতা, ত্যাগ এবং নিঃস্বার্থতা - তা এই ছবির মাধ্যমে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছিলেন পরিচালক। প্রিয়জনের সঙ্গে দেখলে এই ছবি ফুরিয়ে যাওয়ার পরেও তার রেশ যে আপনাদের দু'জনের মনেই থেকে যাবে বহুক্ষণ, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
3
4
জব উই মেট: ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শাহিদ কাপুর ও করিনা কাপুর খান। আদিত্য ও গীতের প্রেম মন ছুঁয়েছিল তথাকথিত ‘মিলেনিয়াল’ দর্শকের। বলিউডে অন্য ঘরানার প্রেমের ছবির পরিচালক হিসাবে ইমতিয়াজ আলিকে পরিচিতি এনে দিয়েছিল এই ছবিই। বন্ধুত্ব, প্রেম সবকিছু নিয়ে প্রেম দিবসের জন্য আদর্শ এই ছবি।
4
4
মোহব্বঁতে: মুক্তি পাওয়ামাত্রই আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা পেয়েছিল এই ছবি। শাহরুখ খান, অমিতাভ বচ্চন, ঐশ্বর্য রাই -এর মতো বলিউডের প্রথম সারির তারকারা একজোটে হাজির হয়েছিলেন এই ছবিতে। তার উপর পরিচালকের নাম আদিত্য চোপড়া। সব মিলিয়ে সোনায় সোহাগা। ভালবাসা দিয়ে দুর্ভেদ্য প্রাসাদসম হৃদয়েও যে ফাটল ধরানো যায় এবপং তাতে ভালবাসার বীজ রোপণ করা যায়, তা দেখিয়েছিল এই ছবি।