যুদ্ধের বাজারে সোনার আকাশছোঁয়া দাম দেখে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। অস্থিরএই আবহেও পকেটের টান সামলে সোনা কেনার কিছু 'চতুর' উপায় রয়েছে। একটু মাথা খাটিয়ে বিনিয়োগ করলে লোকসানের ভয় থাকে না।
2
10
গয়না কিনলে মজুরি আর ভ্যাটের ধাক্কায় পকেট খালি হয়। তার চেয়ে ‘গোল্ড ইটিএফ’ বা ডিজিটাল গোল্ড অনেক সাশ্রয়ী। এতে এক রতি সোনার অপচয় হয় না, একদম নেট বাজার দরে কেনা যায়।
3
10
যুদ্ধের খবর এলেই দাম লাফিয়ে বাড়ে, ঠিকই। কিন্তু বাজার মাঝেমধ্যেই একটু ঝিমিয়ে পড়ে। সেই সাময়িক দাম কমার সুযোগটি লুপে নিন।
4
10
ঘরে যদি পুরনো বা ভাঙা গয়না পড়ে থাকে, তবে তা বদলে নতুন সোনা নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। যুদ্ধের বাজারে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ঢালার চেয়ে এক্সচেঞ্জ করা অনেক বেশি লাভজনক।
5
10
গয়নার দোকানে কেনাকাটার সময় ‘মেকিং চার্জ’ বা মজুরির ওপর বিশেষ নজর দিন। অনেক সময় দোকানদাররা খদ্দের টানতে মজুরিতে বড় ছাড় দেন। একটু দরদাম করলেই ভরি পিছু বেশ কয়েক হাজার টাকা বেঁচে যাবে।
6
10
খাঁটি সোনা ঘরে রাখার ঝুঁকি এড়াতে ‘গোল্ড বন্ড’ দারুণ বিকল্প। এতে সোনার দাম বাড়ার লাভ তো পাবেনই, উল্টে বাড়তি সুদও মিলবে। চুরি হওয়ার ভয় নেই, আবার মেকিং চার্জের বালাইও নেই।
7
10
নকশা করা গয়নায় খাদ মেশানো থাকে। কিন্তু কয়েন বা বিস্কুট কিনলে খাঁটি সোনা পাওয়া যায়। ভবিষ্যতের কথা ভাবলে গয়নার চেয়ে সোনার কয়েন জমানো ঢের বেশি লাভজনক।
8
10
যুদ্ধের বাজারে একেক দোকানে দামের হেরফের হতে পারে। চটজলদি না কিনে অন্তত চার-পাঁচটি বড় দোকানের দর এবং অফার যাচাই করে নিন। এতে ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
9
10
কম দামে কিনতে গিয়ে মানের সঙ্গে আপস করবেন না। সোনা কেনার সময় অবশ্যই ‘হলমার্ক’ দেখে নিন। সঠিক মানের সোনা কিনলে ভবিষ্যতে তা বিক্রি করে সঠিক বাজার মূল্য পাওয়া নিশ্চিত হয়।
10
10
যুদ্ধের বাজারে আবেগ দিয়ে নয়, বরং যুক্তিতে ভর করে সোনা কেনাই শ্রেয়।