খাবার বা ওষুধের মতো সিম কার্ডের গায়ে মেয়াদের ছাপ মারা থাকে না। তাই বহু বছর ধরে একই সিম ব্যবহার করে যাওয়া মানুষের সংখ্যা কম নয়। তবে মেয়াদের তারিখ না থাকার অর্থ কিন্তু এই নয় যে একটি সিম আজীবন একই রকম সচল থাকবে।
2
8
প্রযুক্তিগত দিক থেকে সিম কার্ডের নির্দিষ্ট কোনও ‘এক্সপায়ারি ডেট’ হয় না। পাঁচ বা দশ বছর পেরোলেই যে সেটি অকেজো হয়ে যাবে, এমন কোনও বাধাধরা নিয়ম নেই।
3
8
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ ক্ষয়ক্ষতির কারণে এর কার্যক্ষমতায় প্রভাব পড়ে। বারবার ফোন থেকে সিম খোলা আর লাগানোর ফলে এর ধাতব অংশে আঁচড় লাগতে পারে বা প্রান্তগুলো ক্ষয়ে যেতে পারে।
4
8
তা ছাড়া, দীর্ঘদিন ধরে ফোনের ভেতর থাকার ফলে সিমের গায়ে বা ট্রে-তে ধুলো-ময়লা এবং আর্দ্রতা জমে সংযোগে গোলমাল দেখা দেওয়া অসম্ভব নয়।
5
8
সিম কার্ডের গায়ে যে সূক্ষ্ম সোনালি বা ধাতব অংশটি থাকে, সেটির মাধ্যমেই হ্যান্ডসেটের সঙ্গে নেটওয়ার্কের সংযোগ তৈরি হয়। এই অংশটিতে আঘাত লাগলে বা এটি নোংরা হলে ফোন আর সিমটিকে ঠিকমতো ‘রিড’ করতে পারে না। ফলে আচমকা কল কেটে যাওয়া বা ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়ার মতো নানা সমস্যা তৈরি হয়।
6
8
অনেক সময় সিম ট্রে ও কার্ডটি সাবধানে মুছে পরিষ্কার করে নিলে কাজ দেয়। কিন্তু তাতেও সমস্যা না মিটলে নতুন সিম তোলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
7
8
আপনার ব্যবহৃত সিমটি যদি বহু বছরের পুরনো হয় এবং ইদানীং প্রায়ই নেটওয়ার্ক সংযোগ বিঘ্নিত হতে থাকে, তবে কার্ডটি বদলে ফেলাই শ্রেয়। টেলিকম অপারেটরের দোকানে গিয়ে পুরনো নম্বর একই রেখে সহজেই একটি নতুন ‘ডুপ্লিকেট’ বা আপগ্রেডেড সিম তুলে নেওয়া যায়।
8
8
বর্তমানে ৫জি ফোনে ভালো পরিষেবা পেতেও বেগ পেতে হয়৷ পুরনো সিমের বদলে ৫জির নতুন সিম নেওয়া দরকার হতে পারে। ফলে মেয়াদের নির্দিষ্ট তারিখ না থাকলেও, নেটওয়ার্কের ঝক্কি এড়াতে পুরনো সিম সময়ে বদলে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।