গ্রামের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে ও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের রুজি রোজগার নিশ্চিত করতে নতুন গ্রামীন কর্মসংস্থান প্রকল্প চালু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এই প্রকল্পে রাজ্যের ছেলে মেয়েরা প্রতিদিন ৩০০ টাকা করে পাবে।
2
9
গ্রামীণ কর্মসংস্থান এই প্রকল্প অর্থাৎ 'বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার এন্ড আজীবিকা মিশন'-এ গ্রামাঞ্চলে কাজের সুযোগ তৈরি করা হবে।
3
9
এই বছরের জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে এই নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে। এছাড়া গ্রাম অঞ্চলের জব কার্ড তৈরি করা হবে, যাতে কাজের সুযোগ বৃদ্ধি করা যায়। গ্রামাঞ্চলে আগে যেখানে ১০০ দিনের কাজ ছিল সেখানে, বর্তমানে কাজটা হয়ে গিয়েছে ১২৫ দিনের।
4
9
কীভাবে রোজগারের বৃদ্ধি? দিন সংখ্যা বৃদ্ধি মানে রোজগারের ক্ষমতা বৃদ্ধি। এই প্রকল্পে কাজ করলে প্রতিটি অদক্ষ শ্রমিককে মজুরি হিসেবে প্রতিদিন ৩০০ টাকা করে দেওয়া হবে। এই টাকা সে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পেয়ে যাবে। অর্থাৎ কেউ যদি ১২৫ দিন কাজ করে তার মানে দাঁড়াচ্ছে, বছরে সে ৩৭,৫০০ টাকা রোজগার করতে পারবে।
5
9
তবে ৩০০ টাকা প্রতিদিনের মজুরি অদক্ষ শ্রমিকদের জন্য। আধা দক্ষ ও দক্ষ শ্রমিকদের জন্য মজুরি স্বাভাবিকভাবেই একটু আলাদা এবং বেশি। পশ্চিমবঙ্গ সরকার বর্তমান অর্থবর্ষে এই প্রকল্পের মধ্য দিয়ে প্রায় ২৭ কোটি ২০ লক্ষ কর্ম দিবস তৈরির লক্ষ্য মাত্রা নিয়েছে।
6
9
এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য: এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হল সাধারণ মানুষদের হাতে সরাসরি অর্থ তুলে দেওয়া এবং গ্রামীণ মানুষদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা। একটা পরিবারে একাধিক প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য থাকতে পারেন এবং তারা একটি জব কার্ডের আন্ডারেই থাকবেন। এক্ষেত্রে একটি কার্ডের আওতায় থাকা সদস্য সংখ্যা কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা বলা নেই। পরিবারের যত সদস্যই থাক না কেন তারা একটা কার্ডই থাকতে পারবেন।
7
9
কী কী ডকুমেন্ট লাগবে? এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য আবেদনকারী ও কার্ডে অন্তর্ভুক্ত থাকা প্রত্যেকটি সদস্যের যেসব নথি লাগবে, সেগুলি হল- আধার কার্ড, ভোটার আইডি কার্ড, ব্যাঙ্কের পাস বইয়ের প্রথম পাতা, জাতিগত শংসাপত্রের ফটো কপি ও পাসপোর্ট সাইজের সাম্প্রতিক ছবি।
8
9
আবেদন কীভাবে? আবেদন করার জন্য প্রথমে স্থানীয় ব্লক অফিস বা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস থেকে আবেদন পত্র সংগ্রহ করতে হবে অথবা সেবা সেতু ক্যাম্পে থাকা জনকল্যাণ শিবির থেকেও আবেদন পত্র কেউ সংগ্রহ করতে পারে। এরপর আবেদন পত্রের ওপরে আবেদনকারী ও অভিভাবকের নাম স্পষ্ট করে লিখতে হবে। আবেদনকারীর বাড়ির ঠিকানা, পরিবারের প্রধানের নাম, জন্ম তারিখ, ভোটার ও আধার কার্ড, মোবাইল নম্বর প্রয়োজন।
9
9
এবার আধার তথ্য যাচাই করবার জন্য নির্দিষ্ট একটি অংশে আধার নম্বর লিখে সই করতে হবে। প্রয়োজনীয় সকল তথ্য পূরণ হয়ে গেলে, ফর্মটি পঞ্চায়েত বা আবার সরকারি কোন ক্যাম্পে জমা দিয়ে দিতে হবে। সংগ্রহ করতে হবে রশিদ।