হঠাৎ সব কাজে বাধা পাচ্ছেন? শনি চন্দ্র বিষযোগ চলবে কতদিন? কী করবেন? জেনে নিন জ্যোতিষীদের পরামর্শ
নিজস্ব সংবাদদাতা
৭ জুলাই ২০২৬ ০৮ : ০০
শেয়ার করুন
1
12
হঠাৎ করেই কি মনে হচ্ছে জীবনের সবকিছু যেন থমকে গেছে? অনেক চেষ্টা করেও কাজে সাফল্য মিলছে না, মন সবসময় অস্থির থাকছে, আবার কোনও কারণ ছাড়াই হতাশা গ্রাস করছে? জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, এর পিছনে থাকতে পারে শনি-চন্দ্র বিষযোগের প্রভাব।
2
12
জ্যোতিষ মতে, চন্দ্র মানুষের মন, আবেগ ও মানসিক স্থিতির প্রতীক। অন্যদিকে শনি কর্মফল, ধৈর্য, দায়িত্ব এবং বিলম্বের গ্রহ। এই দুই গ্রহের বিশেষ অবস্থানকে বলা হয় শনি-চন্দ্র বিষযোগ।
3
12
৬-৮ জুলাই চলবে শনি-চন্দ্র বিষযোগ৷ এই সময় চন্দ্র মেষ রাশিতে গোচর করবে৷ এই যোগের প্রভাবে অনেকের জীবনেই একের পর এক বাধা, মানসিক চাপ এবং আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দিতে পারে।
4
12
এই সময় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে মানসিক অবস্থার উপর। ছোট সমস্যাও বড় বলে মনে হতে পারে। কাজে মন বসে না, সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়, ভবিষ্যৎ নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা বাড়ে।
5
12
অনেকেই মনে করেন, অন্যরা এগিয়ে যাচ্ছে অথচ তিনি একই জায়গায় আটকে রয়েছেন। এর ফলে হতাশা আরও গভীর হতে পারে। এই সময় কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভাল।
6
12
তবে জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, এই সময়কে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। শনিদেব কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে মানুষকে পরিণত হতে শেখায়। ধৈর্য, অধ্যবসায় এবং নিয়ম মেনে চলার শিক্ষা দেয় এই গ্রহ।
7
12
তাই এই সময় আবেগের বশে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া, ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ করা বা তাড়াহুড়ো করে চাকরি পরিবর্তনের মতো সিদ্ধান্ত এড়িয়ে চলাই ভাল।
8
12
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময় নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। মিথ্যে বলা, ঝগড়া বিবাদ এই সময় একেবারেই করবেন না৷
9
12
যদি আপনি আবেগপ্রবণ হয়ে থাকেন তাহলে এই সময় পুরনো কথা মনে করে বিবাদে জড়াবেন না৷ নিয়মিত ধ্যান, যোগব্যায়াম, প্রার্থনা বা মন শান্ত রাখে এমন অভ্যাস গড়ে তুললে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
10
12
পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, ইতিবাচক চিন্তা করা এবং নিজের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত না হওয়াও এই সময় পার করার অন্যতম উপায়। চন্দ্রের বীজমন্ত্র জপ করতে পারেন৷
11
12
জ্যোতিষশাস্ত্র আরও জানায়, কোনও গ্রহের প্রভাবই চিরস্থায়ী নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিষযোগের প্রভাবও কমে আসে। তাই সাময়িক বাধাকে জীবনের শেষ বলে না ভেবে, ধৈর্য ধরে নিজের কাজ করে যাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
12
12
বিঃদ্রঃ জ্যোতিষশাস্ত্রের ব্যাখ্যা প্রাচীন বিশ্বাস ও গণনার উপর ভিত্তি করে। এগুলি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়। ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বাস্তব পরিস্থিতি ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।