রাজ্যের সবক’টি সরকারি দপ্তরে দ্রুত প্রিপেইড স্মার্টমিটার চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার।
2
10
সেই পরিকল্পনা মেনে চলতি আগস্টের ৩১ তারিখের মধ্যেই রাজ্যের প্রায় ৪৪ হাজার সরকারি অফিসে এই নতুন মিটার বসানোর কাজ শেষ হতে চলেছে।
3
10
সেপ্টেম্বর থেকেই এই দপ্তরগুলিতে স্মার্টমিটারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়ে যাবে।
4
10
সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ আগরওয়াল এই বিষয়ে পুলিশ মহানির্দেশক (ডিজি), সমস্ত জেলাশাসক এবং বিভাগীয় প্রধানদের নির্দেশিকা পাঠিয়েছিলেন।
5
10
এর পরই তৎপরতা বাড়ায় রাজ্য বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থা (ডব্লিউবিএসইডিসিএল)।
6
10
বর্তমানে রাজ্যে সরকারি দপ্তরের সংখ্যা ৯০ হাজারের বেশি। প্রথম দফায় ৪৪ হাজার অফিসে স্মার্টমিটার চালুর পর বাকি অফিসগুলিতে কবে থেকে এই পরিষেবা চালু হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
7
10
বিদ্যুৎ দপ্তর সূত্রে খবর, ধাপে ধাপে রাজ্যের ১০০ শতাংশ সরকারি দপ্তরেই প্রিপেইড স্মার্টমিটার চালু করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
8
10
নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের মোবাইল নম্বর যেন দ্রুত ডব্লিউবিএসইডিসিএল-এর পোর্টালে নথিবদ্ধ করা হয়।
9
10
বিদ্যুৎ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত যে সব সরকারি অফিসে ডব্লিউবিএসইডিসিএল-এর পোস্টপেইড কানেকশন রয়েছে এবং বিদ্যুতের সার্ভিস লোড ৫০ কিলোওয়াটের কম, প্রথম পর্যায়ে সেই সব জায়গাগুলিকেই এই পরিষেবার আওতায় আনা হচ্ছে।
10
10
নবান্ন সূত্রের খবর, স্মার্টমিটার চালু করার ঠিক আগে দপ্তরগুলিকে একটি শেষ পোস্টপেইড বিল পাঠানো হবে। বিল তৈরির ১০ দিনের মধ্যে তা মেটাতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ে বিল না দিলে পরবর্তী ক্ষেত্রে স্মার্টমিটারের হিসেব থেকে সেই টাকা সামঞ্জস্য (অ্যাডজাস্ট) করে নেওয়া হবে।