শক্তিগড় মানেই ল্যাংচা। দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষও এখানকার ল্যাংচার স্বাদ না নিয়ে ফেরেন না। কিন্তু এবার সেই ঐতিহ্যবাহী ল্যাংচা ব্যবসাতেই পড়েছে চিন্তার ছাপ।
2
6
হঠাৎ বেড়ে গিয়েছে চিনির দাম। ব্যবসায়ীদের দাবি, এক সপ্তাহ আগেও খোলা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ৪৮-৫০ টাকায় মিলছিল।
3
6
বর্তমানে সেই দাম বেড়ে প্রায় ৭২ টাকা। ল্যাংচা তৈরির অন্যতম প্রধান উপকরণ চিনি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে উৎপাদন খরচ।
4
6
এখন প্রশ্ন, ল্যাংচার দাম বাড়ানো হবে, নাকি একই দামে আকার কিছুটা ছোট করে দেওয়া হবে? দাম বাড়ালে ক্রেতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা, আবার দাম না বাড়ালে লাভের পরিমাণ কমে যাওয়ার ভয়। ফলে একপ্রকার দোটানায় ব্যবসায়ীরা।
5
6
শুধু চিনিই নয়, গ্যাস-সহ অন্যান্য কাঁচামালের দামও বেড়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। তার উপর ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ এবং ল্যাংচা হাবের সামনে উড়ালপুল তৈরির কারণে দোকানের সামনে আগের মতো গাড়ি দাঁড়ানোর সুযোগ নেই। ব্যবসায়ীদের দাবি, এর ফলে কমেছে ক্রেতার আনাগোনাও।
6
6
সব মিলিয়ে একদিকে বাড়ছে উৎপাদন খরচ, অন্যদিকে কমছে ক্রেতা- দুইয়ের চাপে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছেন শক্তিগড়ের ল্যাংচা ব্যবসায়ীরা। এখন তাঁদের একটাই চিন্তা, ল্যাংচার স্বাদ ও মান বজায় রেখে কীভাবে টিকিয়ে রাখা যাবে ব্যবসা।