এই বছর দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী ঋতুতে ভারতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
2
9
সোমবার এই সতর্কবার্তা দিয়েছে ভারতের মৌসম ভবন (আইএমডি)। এই সতর্কবার্তায় কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
3
9
সোমবার মৌসম ভবন বর্ষার প্রথম দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে। পরে মে মাসে মহকুমাভিত্তিক পূর্বাভাস-সহ দ্বিতীয় পূর্বাভাস দেওয়া হবে।
4
9
ভারতের কৃষি অর্থনীতির জন্য বর্ষাকালের বৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে এই বৃষ্টি সারা দেশে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের ৭৫ শতাংশ।
5
9
মৌসম ভবনের মতে, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে কম হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। যা দীর্ঘকালীন গড়ের প্রায় ৯২ শতাংশ। এই পূর্বাভাসে মডেলগত ত্রুটির পরিমাণ কমবেশি ৫%। আইএমডি-র মতে, দীর্ঘকালীন গড়ের ৯০-৯৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে কম বলে ধরা হয়।
6
9
মরসুমি বৃষ্টি কৃষকদের জন্য, বিশেষ করে বৃষ্টিনির্ভর খরিফ ফসলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভূবিজ্ঞান মন্ত্রকের সচিব এম রবিচন্দ্রন বলেন, “আমরা জুন-জুলাই মাসে কম বৃষ্টির উল্লেখযোগ্য প্রভাব আশা করছি না, তবে বছরের দ্বিতীয়ার্ধে কম বৃষ্টিপাত উদ্বেগজনক, কারণ জুলাইয়ের পরে এল নিনো তার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে।”
7
9
এল নিনো একটি বিশেষ সামুদ্রিক অবস্থা, যা ভারতের মরসুমি বৃষ্টিপাত ও আবহাওয়ার উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। এর ফলে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি এবং খরা পরিস্থিতি দেখা দেয়।
8
9
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বর্তমানে দুর্বল লা নিনা পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং তা রূপান্তরিত হওয়ার পর জুলাই মাসে এল নিনোর আবির্ভাব ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।
9
9
মৌসম ভবন পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে বর্ষা শুরুর তারিখের পূর্বাভাস দেবে।