লকডাউনের পর থেকেই নানা সমস্যায় জর্জরিত শান্তিপুরের হস্তচালিত 'তাঁতশিল্প'। একদিকে ভিন রাজ্য থেকে আসা যন্ত্রচালিত পাওয়ার লুমের কাপড়, অন্যদিকে পাওয়ারলুমের দাপটে ক্রমশ অস্তিত্বের সঙ্কটে 'ঐতিহ্যবাহী' হস্তচালিত তাঁতশিল্প।
2
8
তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল অনলাইন ব্যবসার বাড়বাড়ন্ত। তবে চলতি বছর পুজোর আগে পরিস্থিতি কিছুটা পরিবর্তনের আশাও দেখছেন শান্তিপুরের তাঁতি ও হ্যান্ডলুম কাপড় ব্যবসায়ীরা।
3
8
ব্যবসায়ীদের দাবি, এবছর অনলাইনের পরিবর্তে সরাসরি শান্তিপুরের তাঁত কাপড়ের হাট কিংবা তাঁতিদের বাড়িতে এসে শাড়ি ও কাপড় কিনছেন ক্রেতারা।
4
8
ফলে নিজের চোখে কাপড় দেখে, গুণগত মান যাচাই করে পছন্দের শাড়ি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। আর তাতেই কিছুটা হলেও মুখে হাসি ফুটেছে তাঁতি ও কাপড় ব্যবসায়ীদের।
5
8
তাঁতিদের বক্তব্য, একটা সময় অনলাইন ব্যবসার দাপটে ক্রেতারা শান্তিপুরের তাঁতিবাড়ি কিংবা হাটমুখী হওয়া অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছিলেন। অভিযোগ, ভিন রাজ্য থেকে কাপড় এনে কিছু ‘অসাধু’ ব্যবসায়ী শান্তিপুরের নাম ব্যবহার করে অনলাইনে ব্যবসা করতেন।
6
8
ফলে শান্তিপুরের তাঁতের শাড়ির সুনাম যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তেমনই ক্রেতাদের একাংশের মধ্যেও তাঁতের শাড়ির প্রতি আস্থা কমেছিল বলে দাবি তাঁদের। তবে বর্তমানে ক্রেতারা বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন বলেই মনে করছেন তাঁতিরা।
7
8
পুজোর আগে ফের তাঁতিবাড়ি ও হাটে ক্রেতাদের আনাগোনা বাড়ায় নতুন করে আশার আলো দেখছেন তাঁরা। সরাসরি এসে কাপড় কেনায় ক্রেতারা যেমন প্রকৃত শান্তিপুরের হস্তচালিত তাঁতের শাড়ি বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, তেমনই উপকৃত হচ্ছেন স্থানীয় তাঁতি ও ব্যবসায়ীরাও।
8
8
পুজোর মরশুমে এখন কেনাকাটার প্রবণতা আরও বাড়বে বলেই আশাবাদী শান্তিপুরের তাঁতশিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষজন।