ভারতের বিষাক্ত সাপের তালিকায় অন্যতম রাসেল ভাইপার। তাকে সামনে দেখলেই যেন সকলের হাড় হিম হয়ে যায়। তাই একে একেবারে অবহেলা করা উচিত নয়।
2
9
গবেষকরা মনে করেন প্রতিদিন পরিবর্তন হয়েছে প্রকৃতি। সেইমতো নিজেকে আপডেট করে নিয়েছে এই বিষাক্ত সাপটি। ফলে সেখান থেকে বেড়েছে তার ক্ষিপ্রতা।
3
9
রাসেল ভাইপারের বিষ বিগত ৫ বছরের মধ্যে সবথেকে বেশি বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে গিয়ছে। ঘন জঙ্গল থেকে শুরু করে পাহাড়, আবার ঘন বসতিপূর্ণ এলাকা থেকে শুরু করে রাজস্থান। সর্বত্রই এদের দেখা যায়।
4
9
আগে এই সাপের যে পরিমান বিষ থাকত এখন সেখান থেকে অনেকটা বেশি রয়েছে। পাশাপাশি বিষের মান আরও উন্নত করেছে ভাইপার।
5
9
সাপের বিষের যে ওষুধগুলি বর্তমানে রয়েছে সেগুলি এখন আর এই সাপের বিষে কাজ করে না। এর বিষের তীব্রতা এতটাই বেশি যে অতি দ্রুত সেটি রক্তে মিশে যেতে পারে।
6
9
এই সাপ কামড়ালে যদি সেই ব্যক্তিকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয় তাহলে সেখানেও দেখা গিয়েছে কয়েকমাস পর সেই ব্যক্তি মারা গিয়েছে।
7
9
বিষের তীব্রতা এতটাই বেশি যে সেটি রক্তে দ্রুত মিশে গিয়ে একেবারে হৃদযন্ত্রকে অচল করে দেয়। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এই বিষকে খুব বেশি হলে ২ ঘন্টা সহ্য করতে পারবে। তারপর তার মৃত্যু কেউ রুখতে পারবে না।
8
9
বাড়ির আশেপাশে যে রাসেল ভাইপারগুলি দেখা যায় সেগুলির বিষও থাকে অনেকটা বেশি। খাবারের খোঁজে অনেক সময় সেগুলি ঘরেও ঢুকে পড়ে। একটু নজর না রাখলেই সর্বনাশ।
9
9
রেগে গেলে এরা জোরে জোরে শিস দিতে থাকে। তখন ধারেকাছে না যাওয়াই ভাল। একটি ছোটো মাপের রাসেল ভাইপারও প্রচুর বিষ ঢালতে পারে।