কাঁচা আম শুধু গরমের স্বস্তিই দেয় না, শরীরের জন্যও দারুণ উপকারী। হিটস্ট্রোক থেকে রক্ষা করে, গরমে অতিরিক্ত ঘাম ও জলশূন্যতার কারণে দুর্বলতা আসে—কাঁচা আম সেই ইলেক্ট্রোলাইট ব্যালান্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে। হজমের জন্য ভালো। অরুচি দূর করে। ভিটামিন সি থাকায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, সর্দি-কাশি কমাতে সাহায্য করে এবং ত্বকও ভালো রাখে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
2
10
মরশুমের কয়েকটা দিন ছাড়া কাঁচা আম পাওয়া যায় না। পাকা আমের আমসত্ত্ব তো অনেক খেলেন৷ এবার কাঁচা আম দিয়ে বানিয়ে আমসত্ত্ব। বাড়ির বাচ্চাটি লজেন্সের বায়না করলে দোকানের লজেন্সের বদলে তাকেও দিন দিন কাঁচা আমের আমসত্ত্ব৷
একদম কাঁচা সবুজ আম নিতে হবে৷ আমগুলো হাত দিয়ে টিপে দেখবেন৷ যদি একদম শক্ত থাকে, তাহলে কাঁচা আছে বুঝবেন৷
5
10
বোঁটা কেটে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে৷ আমগুলো খুব ভাল করে জলে ধুয়ে ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে৷
6
10
এবার একটা বড় পাত্রে জল গরম করে তার মধ্যে আম দিয়ে ৭-৮ মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে৷ ফুটন্ত জল ঝরিয়ে আমগুলো তুলে রাখতে হবে আলাদা পাত্রে৷ গরম থাকাকালীন আমগুলো মিহি পেস্ট বানাতে হবে৷ মিক্সিতে করতে পারেন। এবার আমের পেস্টটা ছাঁকনি দিয়ে ভাল করে ছেঁকে নিতে হবে৷
7
10
এবার এই আমের পাল্পটা অন্য একটা বড় পাত্রে নিয়ে হালকা আঁচে বসিয়ে ক্রমাগত নাড়তে হবে৷ আম থেকে জল শুকিয়ে ঘন হয়ে এলে এর মধ্যে চিনিটা দিয়ে দিতে হবে৷ আবারও নাড়তে হবে৷ কিছুক্ষণ পর এরমধ্যে বিটনুন, মৌরি, গোলমরিচগুঁড়ো দিয়ে দিতে হবে৷
8
10
আবারও কিছুক্ষণ ভাল করে নেড়ে নিয়ে এর মধ্যে দিয়ে দিন অল্প অর্গানিক সবুজ ফুড কালার৷ দেখতে ভাল হবে৷ এটা নাও দিতে পারেন। রঙ দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে এর মধ্যে অল্প চিলি ফ্লেক্স দিয়ে দিন৷
9
10
এবার স্টিলের থালায় অল্প সাদা তেল মাখিয়ে নিয়ে তার মধ্যে আমের মিশ্রণটা ঢেলে সমান করে দিতে হবে৷ এবার এই থালাগুলো এক থেকে দু'দিন কড়া রোদে রাখতে হবে। তাহলে আমসত্ত্বগুলো শুকিয়ে যাবে৷
10
10
শুকিয়ে গেলে ছুরির সাহায্যে প্রথমে চারপাশ কেটে নিতে হবে তারপর লম্বা লম্বা করে কেটে ইচ্ছেমতন মাপের আমসত্ত্ব বানিয়ে নিন৷