২০০৭ সালে দিল্লির এক মহিলা তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন যা তদন্তকারীদের হতবাক করে দেয়।
2
11
ওই মহিলা অভিযোগ করেন, তিনি যাঁর সঙ্গে থাকতেন অর্থাৎ তাঁর স্বামী দেওয়ান চাঁদ মল্লিক হয়তো ভারতীয় নাগরিকই নন। তদন্তের গভীরে গিয়ে আধিকারিকরা আরও উদ্বেগজনক একটি বিষয় আবিষ্কার করেন।
3
11
চাঁদ ভারতের প্রধান বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (র)-এ কাজ করতেন। এরপরে যা সামনে আসে তা গোয়েন্দা সংস্থার ইতিহাসে অন্যতম লজ্জাজনক নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনা।
4
11
তদন্তকারীরা জানতে পারেন চাঁদ ১৯৯৯ সালে ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে র-এ যোগ দেন। সেই সময় নিজেকে পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনার বাসিন্দা বলে দাবি করেছিলেন।
5
11
তিনি গোয়ান্দা সংস্থা, স্থানীয় পুলিশ এবং গোয়েন্দা ইউনিটগুলির একাধিক যাচাই-বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হন।
6
11
সফলভাবে তাঁর আসল জাতীয়তা গোপন রাখেন। ছয় বছর ধরে তিনি ‘র’-এর ভিতরে কাজ করেন। জানা গিয়েছে, তিনি একটি সংবেদনশীল পদে ছিলেন এবং পূর্ব দিল্লির ময়ূর বিহার এলাকায় থাকতেন।
7
11
গোয়েন্দারা সন্দেহ করেন চাঁদ নানা সংবেদনশীল তথ্য পাচার করেছিলেন সেই সময়।
8
11
কর্তৃপক্ষ পরে সন্দেহ করে যে চাঁদ বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা, ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই)-এর হয়ে কাজ করছিলেন।
9
11
অভিযোগ ছিল যে, তাঁর কার্যকালে তিনি সরকারি ফর্মে পরিবারের ও ব্যক্তিগত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রাখতেন, যা তাঁকে কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে চলতে সাহায্য করত।
10
11
২০০৫ সালের মে মাসে, সন্দেহ দানা বাঁধার সঙ্গে সঙ্গেই চাঁদ উধাও হয়ে যান। সম্ভবত ‘র’ (R&AW)-এর সংবেদনশীল নথি সঙ্গে নিয়েই।
11
11
লোধি কলোনি থানায় প্রতারণা ও জালিয়াতির একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল, কিন্তু দিল্লি পুলিশের ব্যাপক তদন্ত সত্ত্বেও তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি।