জগন্নাথ মন্দিরে লুকিয়ে এই ৮ রহস্য! রথ যাত্রায় পুরী গেলে মিলিয়ে নিন নিজেই...
নিজস্ব সংবাদদাতা
১২ জুলাই ২০২৬ ১৮ : ২৯
শেয়ার করুন
1
9
আর কদিন পরেই রথ যাত্রা। তিল ধারণের জায়গা থাকবে না পুরীর রাজপথে। শত শত মানুষ একবার জগন্নাথদেবকে দেখার আশায়, তাঁর রথের রশি টানার আশায় ভিড় জমাবেন। প্রতি বছর অজস্র মানুষ দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন একবার তাঁর দেখা পাবেন বলে। জানেন কি এই পুরীর জগন্নাথ মন্দির নিয়ে রয়েছে একাধিক লোককথা, সঙ্গে রয়েছে রহস্যও। ছবি- সংগৃহীত
2
9
পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রান্নাঘরে দৈনিক ১ লাখ মানুষের রান্না করা সম্ভব। কিন্তু এখানে প্রতিদিন যে ভোগ রান্না করা হয়, তার একটা দানাও অপচয় হয় না। ভিড়, ভক্ত কম বেশি হলেও ভোগের পরিমাণ ঠিক মিলে যায় তার সঙ্গে। ছবি- সংগৃহীত
3
9
জগন্নাথ মন্দিরের একদম চূড়ায় যে চক্র রয়েছে সেটা আপনি যেদিক দিয়েই দেখুন না কেন সেদিকেই সোজা মনে হবে। আজ পর্যন্ত এটির রেপ্লিকা বানানো সম্ভব হয়নি। ছবি- সংগৃহীত
4
9
মন্দিরের উপর কখনও কোনও পাখি ওড়ে না। এই বিষয়ে নানা রকমের ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। কেউ বলে চুম্বকীয় আকর্ষণের জন্য। কারও মতে বাতাসের গতি এবং দিকের জন্য। ছবি- সংগৃহীত
5
9
প্রতি ৮ থেকে ১৯ বছর অন্তর নবকলেবর অনুষ্ঠিত হয়। এই রীতিতে রাতের অন্ধকারে চোখ বাঁধা অবস্থায় ব্রহ্ম পদার্থ পুরনো দেবমূর্তি থেকে নতুন মূর্তিতে স্থানান্তরিত করা হয়। ছবি- সংগৃহীত
6
9
পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের চূড়ার কখনও কোনও ছায়া পড়ে না। দিনের কখনই কোনও ছায়া দেখা যায় না। এর কারণ বিশেষ ব্যাখ্যা করা যায় না, সমান জিওমেট্রিক্যাল শেপ নাকি তুখোড় আর্কিটেকচারের কারণে সেটা স্পষ্ট নয়। ছবি- সংগৃহীত
7
9
বাতাস যেদিকে বয় সাধারণত পতাকা সেদিকেই ওড়ে। এখানে ঘটে ঠিক উল্টো। প্রতিদিন গত ৮০০ বছর ধরে বিকেলে একজন পুরোহিত খালি পায়ে মন্দিরের চূড়ায় উঠে এই পতাকা বদলান। ছবি- সংগৃহীত
8
9
মন্দিরের গেট দিয়ে প্রবেশ করা মাত্রই আর সমুদ্রের গর্জন শোনা যায় না। আবার মন্দির থেকে বেরোলে সমুদ্রের শব্দ সহ অন্যান্য অতিরিক্ত সমস্ত শব্দ শোনা যায়। ছবি- সংগৃহীত
9
9
পুরীর মন্দিরে যে রান্না হয়, সেখানে উনুনের কাছে অর্থাৎ নিচের দিকে যে হাঁড়ি থাকে তার ভোগ সবার শেষে হয়। আর সবার আগে তৈরি হয় একদম উপরের হাঁড়ির ভোগ, যা আগুন থেকে অনেকটাই দূরে থাকে। অদ্ভুত হলেও এটাই বাস্তব।ছবি- সংগৃহীত