নভেম্বর মাস পড়তে চলেছে। যাঁরা পেনশন পান তাঁদের জন্য এই মাসটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের পেনশনভোগীদের প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ‘লাইফ সার্টিফিকেট’ জমা দিতে হয়।
2
9
কী কারণে জমা নেওয়া হয় ‘লাইফ সার্টিফিকেট’? মূলত, পেনশনভোগী জীবিত রয়েছেন, এই তথ্য যাচাই করার জন্যই এই শংসাপত্র জমা নেওয়া হয়। জমা না দিলে পেনশন পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে।
3
9
সাধারণত ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস বা পেনশন প্রদানকারী সংস্থায় গিয়ে সরাসরি লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া যায়। তবে এই ক্ষেত্রেও এবার চলে এসেছে বিরাট সুবিধা।
4
9
বর্তমানে পেনশনভোগীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে এই কাজ আর করতে হয় না। ডিজিটাল পরিষেবার মাধ্যমে বাড়িতে বসেও লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
5
9
বাড়িতে বসে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিতে মাত্র পাঁচটি নথি লাগবে। তাহলেই নিমেষে কাজ হাসিল হবে বাড়িতে বসেই। কী কী নথি লাগবে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিতে? দেখে নেওয়া যাক এক নজরে।
6
9
লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিতে আধার কার্ড, পেনশন পেমেন্ট অর্ডার নম্বর, পেনশন অ্যাকাউন্টের তথ্য, আধার লিঙ্ক করা মোবাইল নম্বর এবং পেনশন প্রদানকারী সংস্থার প্রয়োজনীয় তথ্য সঙ্গে রাখা উচিত।
7
9
অনেকর পক্ষে অফিসে গিয়ে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তাঁদের জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে জীবন প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তার জন্য মেনে চলতে হবে এই বিশেষ পদ্ধতি।
8
9
ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। ক্ষেত্র বিশেষে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হয়। তবে এই পাঁচটি নথি বাধ্যতামূলক।
9
9
আবার সংস্থা বিশেষে আরও কিছু নথি লাগতে পারে বা নিয়মও আলাদা হতে পারে। ফলে, আগে থেকে নিজের ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসে প্রয়োজনীয় নথির তালিকা জেনে নেওয়াই ভাল। চাইলে সংশ্লিষ্ট ফর্ম আগে সংগ্রহ করে বাড়িতে পূরণ করে রাখা যেতে পারে।