‘মর্দানি ৩’-এ আবারও শিবানি শিবাজি রায়ের ভূমিকায় ফিরছেন রানি মুখোপাধ্যায়। দেশের আর এক ভয়াবহ অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামতে চলেছেন এই নির্ভীক পুলিশ অফিসার। ছবির মুক্তির আগে ফিরে তাকানো যাক সেই সব হিন্দি ছবির দিকে, যেগুলি মানুষ পাচারের অন্ধকার জগৎকে নির্মম বাস্তবতায় তুলে ধরেছে।
2
7
মর্দানি: এই ছবিতে শিবানি শিবাজি রায় চরিত্রে রানি মুখোপাধ্যায় এক দৃঢ়চেতা পুলিশ অফিসার, যিনি মানুষ পাচারের একটি বিশাল চক্রের পর্দা ফাঁস করেন। ছবির সবচেয়ে বড় শক্তি -অপরাধীরা কীভাবে স্বাভাবিক জীবনের মুখোশ পরে এই নৃশংস ব্যবসা চালায়, তার বাস্তব ও ঠান্ডা উপস্থাপনা।
3
7
লভ সোনিয়া: এই কঠিন, হৃদয়বিদারক ছবির কেন্দ্রে এক গ্রামবাংলার কিশোরী, যে তার বোনকে আন্তর্জাতিক যৌন পাচার চক্র থেকে উদ্ধার করতে বেরোয়। কিন্তু পথেই সে নিজেই আটকে পড়ে সেই ভয়ঙ্কর জালে। মানব পাচারের গ্লোবাল নেটওয়ার্কের নিষ্ঠুর সত্য এই ছবির মূল বিষয়।
4
7
লক্ষ্মী: নাগেশ কুকুনূর পরিচালিত এই ছবি সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি। ১৩ বছরের এক মেয়ের গল্প যাকে অপহরণ করে যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। সমস্ত ভয় আর সামাজিক চাপের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আদালতে নিজের পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার সাহসই এই ছবির হৃদয়।
5
7
সেক্টর ৩৬: নিথারি হত্যাকাণ্ড থেকে অনুপ্রাণিত এই শিউরে ওঠা থ্রিলারটি একটি বস্তি থেকে একের পর এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘিরে আবর্তিত। ছবিটি শিশু পাচার ও অঙ্গ পাচারের ভয়াবহ অন্ধকার জগতের দিকে আলো ফেলে।
6
7
বাজার: এই হিন্দি ড্রামা ছবিটি তুলে ধরে সেই নির্মম বাস্তবতা, যেখানে দারিদ্র্যের চাপে বাবা-মায়েরাই কিশোরী মেয়েদের গালফের ধনী পরিবারগুলোর হাতে বিক্রি করে দেন। ছোট বয়সেই পরিবার, সমাজ ও ভাগ্যের হাতে নিগৃহীত মেয়েদের যন্ত্রণা এই ছবির মূল সুর।
7
7
পাখি: ১০ বছরের পাখির গল্প যে অনিচ্ছায় জড়িয়ে পড়ে যৌনপল্লির জগতে। শুধু শিশুশ্রম নয়, শিশুপাচারের ভয়ঙ্কর দিকগুলিও এই ছবিতে সামনে আসে। পাকির জীবনের প্রতিটি অধ্যায় মানব পাচারের নিষ্ঠুর বাস্তবতার দলিল।