বাস্তুতন্ত্রের অন্যতম রহস্যময় জীব সাপ। এদের প্রতি মানুষের ভয়ের কারণও সঙ্গত। সাপের বিষ মুহূর্তের মধ্যে স্নায়ুতন্ত্র অচল করে দিয়ে মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। তা ছাড়া বুকে হেঁটে চলা এই প্রাণীটি নিমেষে লুকিয়ে পড়তে পারে।
2
8
ফলে অজান্তেই চোখের আড়ালে থেকে যায়। সমস্যা হলো, ঘরের আনাচকানাচে এমন কিছু জিনিস আমরা জমিয়ে রাখি, যা সাপকে এক প্রকার নিমন্ত্রণ জানিয়ে ডেকে আনে। সাপের সঙ্গে বসবাস যে চরম ঝুঁকিপূর্ণ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
3
8
বাগানের পুকুর বা ছোট জলাশয়ে ব্যাঙ ও পোকামাকড়ের উপদ্রব বেশি। এগুলিই সাপের মূল খাদ্য। পাশাপাশি পদ্ম বা শাপলার মতো গাছ সাপের প্রিয় আস্তানা। এই ধরনের জলজ উদ্ভিদের নরম কাণ্ড পেঁচিয়ে জলে ভেসে থাকতে এরা বেশ স্বচ্ছন্দ বোধ করে।
4
8
ইংলিশ আইভি বা পেরিউইঙ্কলের মতো যেসব ঘাস মাটিতে ঘন হয়ে ছড়ায়, সেগুলি সাপ ও তার শিকার- উভয়ের জন্যই আদর্শ লুকোনোর জায়গা। এই পাতার আস্তরণ সাপকে স্যাঁতসেঁতে ও শীতল পরিবেশের মধ্যে থাকতে সাহায্য করে।
5
8
যেকোনও ঘন ঝোপের দিকে আকৃষ্ট হয় ছোট পাখি, কীট ও ইঁদুর। সাপের খাবারের জোগান যেমন এখানে প্রচুর, তেমনই উপদ্রবও বেশি। লম্বা ঘাসে ইঁদুরের অবাধ বিচরণ থাকায় সাপও এসব জায়গায় ডেরা বাঁধে।
6
8
সারের জন্য জমানো পাতার স্তূপ পচে স্যাঁতসেঁতে হয়ে উঠলে সেখানে ইঁদুর ও পোকা বাসা বাঁধে। তাছাড়া পচন প্রক্রিয়ায় তৈরি হওয়া তাপ সাপকে ভীষণভাবে টানে। ফলে সহজেই তৈরি হয় সাপের প্রিয় বাসস্থান।
7
8
প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, জুঁই, কাঠচাঁপা কিংবা হাসনুহানার মতো কড়া মিঠে গন্ধের ফুল গাছ নাকি সাপকে দারুণভাবে আকর্ষণ করে।
8
8
ঝুঁকি এড়াতে এই জিনিসগুলিকে বসতবাড়ি থেকে দূরে রাখাই ভাল। নিয়ম করে বাগান পরিষ্কার করা, লম্বা ঘাস ছেঁটে ফেলা এবং পচা পাতার স্তূপ জমতে না দেওয়ার মতো প্রাথমিক সতর্কতা মেনে চললে অঘটন অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।