এবার আর এদিক ওদিক পানের পিক ফেলা নয়। চাইলেই গাড়ির জানলা খুলে প্যাকেট ফেলে দেওয়া নয়। আগেই জানা গিয়েছিল, এসব নিয়ম ভাঙলেই এবার থেকে কড়া শাস্তি।
2
8
রাজ্যকে আবর্জনা মুক্ত, পরিচ্ছন্ন রাখতে কড়া পদক্ষেপ করেছে রাজ্য সরকার। পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল একাধিকবার শহর পরিষ্কার রাখার বার্তা দিয়েছেন। মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে নিজেই বহুবার রাস্তায় নেমেছেন। জুলাই-আগস্ট মাসজুড়ে দেন সচেতনতার বার্তা।
3
8
১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যের সমস্ত পুরনিগম, পুরসভা ও নোটিফায়েড এরিয়ায় কার্যকর হচ্ছে বিধিনিষেধ। বাংলাকে পরিচ্ছন্ন রাখার বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে জেলাশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে রাজ্যের নতুন নির্দেশিকা। ওই নির্দেশিকায় স্থানীয় স্তরে প্রচার ও বিধি কার্যকর করার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
4
8
প্রকাশ্যে থুতু ফেললে প্রতিবার ১০০ টাকা ফাইন, প্রকাশ্যে মলত্যাগ বা প্রস্রাব করলে ২০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। যত্রতত্র আবর্জনা ফেলা কিংবা নিষিদ্ধ প্লাস্টিক ক্যারি ব্যাগ ব্যবহার করলেও ২০০ টাকা করে জরিমানা দিতে হবে।
5
8
কীভাবে নেওয়া হবে জরিমানা? ডিজিটাল স্পট ফাইন ব্যবস্থার আওতায় অনুমোদিত পৌরকর্মীরা ঘটনাস্থলেই জিও-ট্যাগযুক্ত ছবি তুলে নথিভুক্ত করবেন। ডিজিটাল চালান তৈরি এবং QR Code / অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে জরিমানা জমা নেওয়া হবে এবং তৎক্ষণাৎ ডিজিটাল রসিদ দেওয়া হবে। লঙ্ঘনের সময় সংগৃহীত মোবাইল নম্বরের ভিত্তিতে একই ব্যক্তির দ্বারা বারবার নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত করার ব্যবস্থাও থাকবে। প্রাথমিক পর্যায়ে অনলাইনেই জরিমানা নেওয়া হবে।
6
8
সরকার জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কোনওভাবেই রাজস্ব সংগ্রহ নয়, বরং সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নাগরিকদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা ও দায়িত্বশীল আচরণের অভ্যাস গড়ে তোলা। প্রথম পর্যায়ে নাগরিকদের নিয়ম মেনে চলতে উৎসাহিত করা হবে, প্রয়োজনে পরবর্তীতে জরিমানা আরোপ করা হবে।
7
8
এই লক্ষ্যে রাজ্যবাসীকে শৌচাগার ব্যবহার করতে, বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে, প্রকাশ্য স্থানে থুথু না ফেলতে, নিষিদ্ধ প্লাস্টিক ব্যবহার না করতে এবং যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলতে অনুরোধ করা হয়েছে।
8
8
পরিচ্ছন্ন নগর, দায়িত্বশীল নাগরিক এবং স্বচ্ছ পৌর প্রশাসন - এই তিনটি লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এই ডিজিটাল স্পট ফাইন ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হবে।