রাতে বিছানায় শুয়ে ঘুম আসতেই চায় না, ঘুমোতে যাওয়ার আগে করুন কয়েকটি কাজ
নিজস্ব সংবাদদাতা
৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৭ : ১৬
শেয়ার করুন
1
9
সারাদিনের কাজের চাপ, ব্যক্তিগত চিন্তা, অফিসের টেনশন, সব মিলিয়ে রাতে বিছানায় যাওয়ার পরেও অনেকের মাথায় নানা ভাবনা ঘুরতে থাকে। ফলে শরীর ক্লান্ত হলেও সহজে ঘুম আসতে চায় না। আবার ঘুম এলেও বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া বা সকালে উঠেও ক্লান্ত লাগার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
2
9
ভাল ঘুমের জন্য শুধু কতক্ষণ ঘুমোচ্ছেন, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ নয়। ঘুমের আগে কী করছেন, তার উপরও ঘুমের মান অনেকটাই নির্ভর করে। তাই শোওয়ার আগে কয়েকটি সহজ অভ্যাস তৈরি করলে শরীর ও মনকে ধীরে ধীরে বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত করা যায়।
3
9
ঘুমের আগে ফোন থেকে দূরে থাকুন: বিছানায় শুয়ে মোবাইলে রিল, সোশ্যাল মিডিয়া বা নানা খবর দেখতে দেখতে অনেক রাত হয়ে যায়। কিন্তু ঘুমের আগে দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা মনকে আরও সক্রিয় করে রাখতে পারে। তাই সম্ভব হলে ঘুমের অন্তত কিছুটা আগে ফোন, ল্যাপটপ বা টিভি থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে এমন কোনও খবর, ভিডিও বা আলোচনা এড়িয়ে চলুন যা আপনার মনে উত্তেজনা বা দুশ্চিন্তা তৈরি করে।
4
9
প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমোতে যান: শরীরের একটি নিজস্ব ঘড়ি রয়েছে। প্রতিদিন কখন ঘুমোবেন এবং কখন উঠবেন, সেই সময় যতটা সম্ভব নির্দিষ্ট রাখলে শরীর একটি নিয়মিত ঘুমের ছন্দের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে।ছুটির দিনেও ঘুমের সময় একেবারে পাল্টে না ফেলাই ভাল।
5
9
শোওয়ার আগে হালকা কিছু করুনসারাদিনের ব্যস্ততা থেকে সরাসরি বিছানায় গিয়ে ঘুমিয়ে পড়া অনেকের পক্ষেই সহজ হয় না। তাই ঘুমের আগে কিছুটা সময় নিজেকে শান্ত করার জন্য রাখুন।হালকা বই পড়া, ধীর গতির গান শোনা, মেডিটেশন বা ধীরে ধীরে শ্বাস নেওয়ার মতো আরামদায়ক কোনও অভ্যাস তৈরি করতে পারেন।
6
9
ক্যাফেইন এবং ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন: সন্ধ্যার পর অতিরিক্ত চা, কফি বা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় খেলে অনেকের ঘুমে সমস্যা হতে পারে। তাই রাতে ঘুমের কাছাকাছি সময়ে অতিরিক্ত ক্যাফেইন না খাওয়াই ভাল।একইভাবে শোওয়ার ঠিক আগে খুব ভারী বা অতিরিক্ত মশলাদার খাবার খাওয়ার অভ্যাসও এড়িয়ে চলুন।
7
9
পরের দিনের কাজ লিখে রাখুন: অনেক সময় পরের দিনের কাজ নিয়ে চিন্তা করতে করতেই ঘুম আসতে দেরি হয়। কোন কাজটি আগে করবেন, কী কী মনে রাখতে হবে—এসব নিয়ে মাথায় চিন্তা চলতেই থাকে। এই সমস্যা কমাতে পরের দিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলি কাগজে লিখে রাখলে মাথা থেকে কিছুটা চাপ কমতে পারে।
8
9
ঘরটিকেও ঘুমের উপযোগী করুনঘুমের জন্য শান্ত, অন্ধকার এবং আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ। ঘরে অতিরিক্ত আলো, শব্দ বা খুব বেশি গরম-ঠান্ডা থাকলে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তাই নিজের জন্য আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করুন।
9
9
তবে দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সমস্যা থাকলে, রাতে বারবার ঘুম ভেঙে গেলে বা অতিরিক্ত উদ্বেগ ও স্ট্রেসের কারণে দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হলে চিকিৎসক বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।