বিমান সংস্থা ইন্ডিগো জানিয়েছে, গত বছরের ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে যেসব ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল, সেগুলির সমস্ত রিফান্ড প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হয়েছে। ভারতের বিমান পরিবহণ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA) শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
2
6
DGCA জানায়, ইন্ডিগোর দাবি অনুযায়ী ওই তিন দিনের মধ্যে বাতিল হওয়া সব ফ্লাইটের টিকিটের টাকা যাত্রীদের মূল পেমেন্ট মাধ্যমেই ফেরত দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ কার্ড, ইউপিআই বা অন্য যে মাধ্যমে টাকা দেওয়া হয়েছিল, সেই মাধ্যমেই রিফান্ড জমা পড়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি আরও জানায়, এই সময়ের মধ্যে যেসব যাত্রীর ফ্লাইট নির্ধারিত যাত্রার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল হয়েছিল, তাঁরা বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন, যেখানে তা প্রযোজ্য। ছবি: সংগৃহীত
3
6
যাত্রীদের ভোগান্তির বিষয়টি মাথায় রেখে ইন্ডিগো অতিরিক্ত একটি উদ্যোগ ঘোষণা করেছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘Gesture of Care’। এই উদ্যোগের আওতায় যোগ্য যাত্রীদের ৫,০০০ টাকা করে দু’টি ট্রাভেল ভাউচার দেওয়া হচ্ছে, যার মোট মূল্য ১০,০০০ টাকা। ভাউচারগুলির মেয়াদ থাকবে ১২ মাস। বিমান সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে যেসব যাত্রীর ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বা তিন ঘণ্টার বেশি দেরিতে চলেছে, তাঁদের ক্ষেত্রে এই সুবিধা প্রযোজ্য। সংশ্লিষ্ট যাত্রীরা নিজেদের যোগ্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিয়ে এই ভাউচার দাবি করতে পারবেন। ছবি: সংগৃহীত
4
6
DGCA একই সঙ্গে যাত্রীদের পরামর্শ দিয়েছে, টিকিট কাটার সময় সঠিক মোবাইল নম্বর ও ই-মেল ঠিকানা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি, হোক তা সরাসরি বিমান সংস্থার মাধ্যমে বা কোনও ট্রাভেল এজেন্টের সাহায্যে। এতে রিফান্ড, ক্ষতিপূরণ বা অন্যান্য তথ্য দ্রুত পৌঁছনো সহজ হবে বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ছবি: সংগৃহীত
5
6
উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরের ওই তিন দিনে ইন্ডিগোর বিপুল সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় দেশজুড়ে হাজার হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তির মুখে পড়েন। বহু বিমানবন্দরে যাত্রীরা আটকে পড়েন এবং তাঁদের ভ্রমণ পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। সংস্থার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই বিপর্যয়ের পিছনে পাইলট রোস্টার পরিকল্পনায় ত্রুটি এবং কঠোর নিরাপত্তা বিধির জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতির অভাব ছিল অন্যতম কারণ। ছবি: সংগৃহীত
6
6
বছরের শেষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইন্ডিগো এই ঘটনাকে বড় ধরনের পরিচালনাগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে স্বীকার করে নেয় এবং যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চায়। একই সঙ্গে বিমান সংস্থাটি জানায়, ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করার এবং পরিচালনাগত সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে জোর দিচ্ছে। এই ঘটনার পর কেন্দ্রীয় সরকার এবং DGCA ইন্ডিগোর উপর বাড়তি নজরদারি শুরু করে, যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য ও দেশের অভ্যন্তরীণ বিমান পরিষেবার উপর এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। ছবি: সংগৃহীত