চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে দেশের পূর্ব, মধ্য ও দক্ষিণ অংশে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি তাপপ্রবাহ থাকবে। মৌসুম ভবন এমনটাই জানিয়েছে। পরিস্থিতি যে দিকে এগোচ্ছে, তাতে ২০২৬-এর গ্রীষ্মকাল তাপমাত্রার সব রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
2
10
মধ্য ভারতে এই মুহূর্তে তাপমাত্রা ৪২-৪৫ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, আসল ভয়ের কারণ হলো বাতাসের আর্দ্রতা।
3
10
দিল্লি বা রাজস্থানের মতো শুকনো গরমে ঘাম দ্রুত শুকিয়ে যায় বলে মানুষ কিছুটা স্বস্তি পায়।
4
10
উপকূলীয় এলাকায় বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি। ফলে ঘাম শুকোতে চায় না। ঘাম না শুকোলে শরীরের তাপমাত্রা কমে না। ফলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া থেকে শুরু করে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হওয়ার মতো ভয়াবহ বিপদ ঘটতে পারে।
5
10
আগে ধারণা ছিল যে, ৩৫ ডিগ্রি ডব্লিউবিটি পর্যন্ত মানুষ সহ্য করতে পারে। কিন্তু পেন স্টেট ইউনিভার্সিটির সাম্প্রতিক এক গবেষণা চমকে দিয়েছে বিজ্ঞানীদের।
6
10
দেখা গিয়েছে, মাত্র ৩১ ডিগ্রি ডব্লিউবিটি-তেই তরুণরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। সহজ কথায়, ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা আর ৬০ শতাংশ আর্দ্রতা একসঙ্গে শরীরের স্বাভাবিক সহ্যক্ষমতাকে শেষ হয়ে যায়।
7
10
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ে অত্যন্ত সচেতনতার সঙ্গে চলাফেরা করা উচিৎ। উত্তর ভারতে এখন চরম গরমের দাবদাহ। অন্যদিকে কেরালা বা দক্ষিণ ভারতেও ভ্যাপসা গরম।
8
10
আইপিসিসি-র সদস্য অঞ্জল প্রকাশের কথায়, "জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রাকেও এখন ৫০ ডিগ্রির মতো মনে হয়। আর্দ্রতা বাড়লে এসি ছাড়া টিকে থাকা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে।"
9
10
পরিসংখ্যান বলছে, শতাব্দীর শেষে দেশের কোটি কোটি মানুষ এমন বিপজ্জনক গরমের মুখে পড়বে যার জেরে রীতিমত মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে৷
10
10
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন- এবারের গরম কেবল তাপমাত্রা দিয়ে নয়, বরং আর্দ্রতার পরিমাণ দিয়েও বিচার করতে হবে।