ভারতের বাজারে ফের জাল নোট নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ৫০০ টাকার একাধিক জাল নোট বাজারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নোটবন্দির পর কালোবাজারি বন্ধ করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র।
2
10
বর্তমানে কালোবাজারি অনেকটাই কমলেও ৫০০ টাকার জাল নোট বাজারে ছড়িয়ে রয়েছে বলে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এর আগেও জানা গিয়েছিল, নিঁখুত ভাবে ছাপা জাল নোট খালি চোখে ধরা কঠিন।
3
10
জানা যাচ্ছে, বাজারে ছড়িয়ে পড়ার ৫০০ টাকার জাল নোটের ছাপা, কালির রং এবং অক্ষরের গঠনের সঙ্গে আসল নোটের যথেষ্ট মিল রয়েছে। ফলে সহজে আসল ও নকল নোটের মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন।
4
10
নোটবন্দির পর বাজারে এসেছিল নতুন ৫০০ ও ২০০০ টাকার নোট। ২০২৩ সালে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ২০০০ টাকার নোট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। বর্তমানে ৫০০ টাকার নোটই সর্বোচ্চ মূল্যায়নের নোট।
5
10
জাল নোট মূলত ব্যাঙ্কের মেশিনে ধরা পড়ে। কিন্তু খালি চোখে নগদে লেনদেন করলে? খালি চোখেও জাল ৫০০ টাকার নোট ধরা যাবে নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করলেই।
6
10
হাতে ৫০০ টাকার নোট এলেই সেটিকে আলোর মধ্যে ফেলুন। দেখবেন দুটি পিঠেই ৫০০ লেখাটি একই সারিতে থাকবে। তখন বুঝতে পারবেন এটি একটি আসল টাকা।
7
10
নোটের মাঝখানে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ছবিটি ভাল করে দেখে নিতে হবে। সেখানে যদি আপনি হাত দেন তাহলে দেখবেন সেই ছবির জায়গাটি একটু খসখসে থাকবে।
8
10
জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ছবির পাশে ছোটো করে লেখা থাকবে ভারত। এটি লেখা থাকবে দেবনাগরী ভাষাতে। অন্যদিকে ইন্ডিয়া লেখা থাকবে ইংরাজিতে। এটি একটি অন্যতম লেখা যেটি নকল নোটকে চিহ্নিত করে দেবে।
9
10
মহাত্মা গান্ধীর ডান দিকে তিনটি বিশেষ চিহ্ন করে দিয়েছে আরবিআই। ৫০০ টাকার নোটে অশোক স্তম্ভটি ভারতের ঐতিহ্যকে তুলে ধরে। এটিও একটি প্রধান অংশ যেখান থেকে নকল নোটটিকে আপনি সহজে চিনে নিতে পারবেন।
10
10
ডানদিকে মাইক্রোটেক্সটে ৫০০ লেখাটি থাকবে। পাঁচটি লাইনও সেখানে থাকবে। এই পাঁচটি লাইন দুটি দিকেই থাকবে। এর থেকে সহজেই আপনি পরখ করে নিতে পারবেন কোন নোটটি নকল বা কোনটি আসল। হাতে ৫০০ টাকার নোট পেলে তাই তাড়াহুড়ো করবেন না।