আজকাল অনেকেরই ইনস্টাগ্রামে রিল ভিডিও তৈরি ও শেয়ার করার শখ রয়েছে। তবে অনেক সময় ভাল ভিডিও বানালেও তা ভাইরাল হয় না। জনপ্রিয় ট্রেন্ডিং গান ব্যবহার, আকর্ষণীয় লেখা বা ভিডিও এডিড করেও তেমন লাভ হয় না। কিন্তু কেন?
2
12
আসলে ভাইরাল করার জন্য একটি সেটিং চালু করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। রিল পোস্ট করার সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প রয়েছে। যা হল 'শেয়ার রিল টু ফিড'।
3
12
এটি চালু করলে আপনার ভিডিও শুধু রিলসের ফিডে নয়, আপনার ফলোয়ারদের ফিডেও শেয়ার হয়। ফলে ভিডিও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছয়।
4
12
বেশি দর্শক দেখলে লাইক, মন্তব্য এবং শেয়ার বাড়ে, এবং ইনস্টাগ্রামের অ্যালগরিদমও ভিডিওটিকে 'ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি' হিসেবে মূল্যায়ন করে।
5
12
ইনস্টাগ্রামে 'আপলোড অ্যাট হাইয়েস্ট কোয়ালিটি' চালু রাখাও প্রয়োজন। এতে ভিডিও আপলোডের সময় এইচডি মান বজায় থাকে। ভিডিও যদি পরিষ্কার ও আকর্ষণীয় হয়, দর্শকদের পুরো ভিডিও দেখার সম্ভাবনা বেশি থাকে, এবং অ্যালগরিদম এটিকে আরও বেশি মানুষের কাছে দেখায়।
6
12
ভাইরাল হওয়ার জন্য আরও কিছু টিপস মেনে চলুন। যেমন ভিডিওর প্রথম কয়েক সেকেন্ডে আকর্ষণ তৈরি করুন। দর্শকের মন ধরে রাখুন।
7
12
জনপ্রিয় গান ব্যবহার করুন। ট্রেন্ডিং গান ভিডিওকে সহজে রিলস ফিডে সাজেস্ট করে।
8
12
সঠিক হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন। ভিডিওকে দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রাখুন।
ভিডিও দৈর্ঘ্য ও কোয়ালিটি ঠিক রাখুন। ছোট, পরিষ্কার ভিডিও বেশি দর্শক আকর্ষণ করে।
11
12
ইনস্টাগ্রামের অ্যালগরিদম কী দেখে? শুধু লাইক বা মন্তব্য নয়। ভিডিও পুরো দেখা হয়েছে কিনা, দর্শকের এনগেজমেন্ট, ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে কিনা-এগুলোও গুরুত্বপূর্ণ।
12
12
ভাল ভিডিও এবং সঠিক সেটিং ব্যবহার করলে ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।