অনেকেই দিনের শেষে ক্লান্তিকে স্বাভাবিক বলে ধরে নেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, সব ক্লান্তি এক নয়।
2
12
অনেক ক্ষেত্রে শরীর আগেভাগেই হৃদযন্ত্রের সমস্যার ইঙ্গিত দেয়—যা রক্তপরীক্ষায় ধরা পড়ার আগেই বোঝা যায়। তাই এই 'নীরব' লক্ষণগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
3
12
চিকিৎসকদের মতে, কয়েকটি সাধারণ উপসর্গ রয়েছে যেগুলোকে মানুষ প্রায়ই এড়িয়ে যান। যেমন হঠাৎ অস্বাভাবিক ক্লান্তি।
4
12
আগে যেসব কাজ সহজে করা যেত, এখন সেগুলো করতেই যদি হাঁপিয়ে যেতে হয়, তাহলে তা চিন্তার কারণ হতে পারে।
5
12
একইভাবে, অল্প হাঁটাহাঁটি বা সিঁড়ি ভাঙতেই শ্বাসকষ্ট হলে সেটিও হার্টের সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
6
12
অনেক সময় বুকের মধ্যে তীব্র ব্যথা না থাকলেও চাপ, জ্বালা বা অস্বস্তি অনুভব হয়। এটিকেও হালকাভাবে নেওয়া ঠিক নয়। পাশাপাশি হৃদস্পন্দন হঠাৎ বেড়ে যাওয়া বা অনিয়মিত লাগাও সতর্কবার্তা হতে পারে।
7
12
এছাড়া ঘুমের সমস্যাও গুরুত্বপূর্ণ একটি লক্ষণ। রাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া বা অস্বস্তি হওয়া—এসবও হৃদযন্ত্রের সমস্যার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।
8
12
আবার অনেকের ক্ষেত্রে পা, গোড়ালি বা পায়ের পাতায় ফোলা দেখা যায়, যা শরীরে জল জমার ইঙ্গিত এবং হার্টের দুর্বলতার লক্ষণ হতে পারে।
9
12
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই লক্ষণগুলো শুরুতেই ধরা পড়লে বড় ধরনের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। তাই জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি।
10
12
নিয়মিত হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ কম রাখা-এসবই হার্ট ভাল রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ধূমপান ও মদ্যপান এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেন চিকিৎসকরা।
11
12
শরীরের ছোটখাটো পরিবর্তনকে অবহেলা না করে সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।
12
12
হার্টের সমস্যা অনেক সময় নীরবে শুরু হলেও, সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নিলে বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব।