স্থিতিশীল ও অনুমানযোগ্য রিটার্ন এবং ঝুঁকি কম হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের জন্য ফিক্সড ডিপোজিট এখনও পছন্দের বিনিয়োগ বিকল্প।
2
9
সুদের হার মোটামুটি স্থিতিশীল থাকা সত্ত্বেও, বেশ কিছু ব্যাঙ্ক, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যাঙ্কগুলি, এক থেকে পাঁচ বছরে স্থায়ী আমানতের জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি রিটার্ন দিয়ে থাকে।
3
9
ব্যাঙ্ক অনুযায়ী, ঋণের মেয়াদ এবং বিভাগ অনুযায়ী সুদের হারে পার্থক্য দেখা যায়। স্মল ফাইন্যান্স ব্যাংকগুলি নির্দিষ্ট কিছু মেয়াদে ৮ শতাংশ হারে সুদ দিচ্ছে। বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলি ৭-৭.২৫ শতাংশের আশেপাশে সুদ দিচ্ছে। সরকারি ব্যাঙ্কগুলি ৬-৬.৬ শতাংশের মধ্যে সুদ দেওয়া অব্যাহত রেখেছে।
4
9
সূর্যোদয় স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক বার্ষিক ৮.১০ শতাংশ, ইএসএএফ স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক ৮.০০ শতাংশ, শিবালিক স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক ৭.৮০ শতাংশ, জানা স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক ৭.৭৭ শতাংশ, স্লাইস স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক ৭.৭৫ শতাংশ, উৎকর্ষ স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক বার্ষিক ৭.৫০ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে ১ বছর থেকে ৫ বছরের আমানতের জন্য।
5
9
১ বছর থেকে ৫ বছরের আমানতের জন্য বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলির মধ্যে এসবিএম ব্যাঙ্ক ইন্ডিয়া ফিক্সড ডিপোজিটে বার্ষিক ৭.৮৫ শতাংশ, আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক ৭.৪০ শতাংশ, সিএসবি ব্যাঙ্ক ৭.৩৫ শতাংশ, বন্ধন ব্যাঙ্ক ৭.২৫ শতাংশ, আরবিএল ব্যাঙ্ক ৭.২০ শতাংশ এবং ডিসিবি ব্যাঙ্ক ফিক্সড ডিপোজিটে বার্ষিক ৭.১৫ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে।
6
9
সরকারি ব্যাঙ্কগুলির মধ্যে পাঞ্জাব অ্যান্ড সিন্ধ ব্যাঙ্ক বার্ষিক ৬.৭৫ শতাংশ হারে, ব্যাঙ্ক অফ মহারাষ্ট্র ৬.৬৫ শতাংশ, ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ৬.৬০ শতাংশ, কানারা ব্যাঙ্ক ৬.৬০ শতাংশ, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক ৬.৬০ শতাংশ এবং পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক বার্ষিক ৬.৬০ শতাংশ হারে সুদ দিচ্ছে এক থেকে ৫ বছর পর্যন্ত ফিক্সড ডিপোজিটে।
7
9
বিদেশী ব্যাঙ্কগুলির মধ্যে ডয়েশ ব্যাঙ্ক বার্ষিক ৭ শতাংশ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাঙ্ক ৬.৬০ শতাংশ, এইচএসবিসি ব্যাঙ্ক ৫.৫০ শতাংশ হারে সুদ দিচ্ছে।
8
9
বিনিয়োগকারীদের শুধুমাত্র সুদের হারের উপর ভিত্তি করে ব্যাঙ্ক নির্বাচন করা উচিত নয়। টাকা জমা রাখার আগে নিরাপত্তা, লিকুইডিটি এবং মেয়াদ পূরণের আগে টাকা তুললে জরিমানার মতো বিষয়গুলিও বিবেচনা করা উচিত।
9
9
বিভিন্ন মেয়াদ এবং ব্যাঙ্কের ক্যাটাগরির মধ্যে সুদের হার তুলনা করলে কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা বজায় রেখে সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করা সম্ভব। (সতর্কীকরণ: বিনিয়োগের পূর্বে ব্যাঙ্কে গিয়ে সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করে নিন। আর্থিক ক্ষতি হলে আজকাল ডট ইন দায়ী নয়।)