মাছে-ভাতে বাঙালি। ঝোলে-ঝালে-সরষেয় রসনার পরিতৃপ্তি। রবিবারে তো হেঁশেলে, মাছের রকমারি বাহারি পদের আয়োজন বহু বাড়িতে। তবে রবিবাসরীয় সকালে, মাছের বাজারে যাওয়ার আগেই এই একটি মাছের ভয়াবহতা জানেন তো?
2
7
এই মাছ নামেই মাছ, আদতে সাক্ষাৎ বিপদ। এক টুকরো মুখে তোলার অর্থই যেন জেনেশুনে বিষ খাওয়ার সমান। নিজের শরীরের ক্ষতি করা নিজের হাতেই। তাই, মাছের বাজারে গিয়ে মাছ কেনার আগে, চোখ বুলিয়ে নিন এই ভয় ধরানো তথ্যে।
3
7
থাই মাগুর। মানুষের স্বাস্থ্য ও ভারতের নদীর স্বাস্থ্য দুইয়ের জন্যই বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গবেষকদের দাবি, এই মাছ ভারতের ভঙ্গুর জলজ বাস্তুতন্ত্রের জন্য বড় বিপদ এককথায়, অন্যদিকে চিকিৎসকরা এই মাছ মুখে তুললে দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
4
7
কেন এই মাছ বাস্তুতন্ত্রের জন্য হুমকি? থাই মাগুর একটি আগ্রাসী ও বহিরাগত প্রজাতি। গবেষকদের মতে, সব ধরনের আগ্রাসী প্রজাতিই বাস্তুতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর এবং তা বাস্তুসংস্থানিক ভারসাম্যকে প্রভাবিত করে। বহু প্রজাতির স্থানীয় মাছের প্রজাতি বিলুপ্ত হয়েছে এই মাছের কারণে।
5
7
অন্যদিকে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি কীভাবে ডেকে আনছে স্রেফ একটি মাছ? চিকিৎসকদের মতে, মাছ পুষ্টির আখর হলেও, এই মাছ আদতে বিপদের আড়ত। এর অন্যতম কারণ, এই মাছের খাদ্যাভাস।
6
7
এই মাছটি মূলত যে কোনও পচা মাংস, খাবার খেয়ে বেঁচে থাকে। ফলে এই মাছ খেলে, তার প্রভাব পড়ে মানব শরীরেও। ক্যানসারের মতো মারণ ব্যাধির রোগের ঝুঁকিও বাড়িয়ে তোলে এই মাছ, তথ্য তেমনটাই।
7
7
এই মাছ চাষ হয় দ্রুত। কিন্তু, পরিস্থিতি বিচারে এই মাছ ভারতে নিষিদ্ধ। নিষিদ্দ এই মাছের চাষ, কেনা-বেচা। ভারতের জাতীয় সবুজ ট্রাইব্যুনাল ২০০০ সালেই দেশে থাই মাগুর চাষ নিষিদ্ধ করে দেয়।