সংবাদসংস্থা মুম্বই: এক সময় তাঁর রূপের ছটায় মোহিত হতেন দর্শক থেকে বলিউডের নামজাদা নায়করা। তিনি স্বর্ণযুগের 'লেডি সুপারস্টার' মধুবালা। দিলীপ কুমারের সঙ্গে দুর্দান্ত প্রেম ছিল মধুবালার। তাঁদের প্রেম হিন্দি ছবির ক্লাইম্যাক্সের থেকেও বেশি রঙিন ছিল।
2
8
দু'জনের বয়সের ফারাক অনেক থাকলেও তা কখনও বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি তাঁদের মধ্যে। তবে কী কারণে প্রেম ভাঙে তাঁদের? বলিউডের অন্দরে আজও চর্চায় দিলীপ কুমার ও মধুবালার প্রেম।
3
8
জানা যায়, এক আইনি লড়াইয়ে দিলীপ কুমার পাশে দাঁড়াননি মধুবালার। সেই অভিমানে সম্পর্ক ভেঙে বেরিয়ে আসেন মধুবালা।
4
8
যদিও সে সময়ের আরও এক ডিভা মুমতাজ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, মধুবালা নয় সম্পর্কে প্রথম ইতি টানেন দিলীপই। বিচ্ছেদের আসল কারণ আরও মন খারাপের।
5
8
তাঁর কথায়,
6
8
এরপর সায়রা বানুকে বিয়ে করেছিলেন দিলীপ কুমার। সায়রার সঙ্গে দিলীপের বয়সের ফারাক প্রায় ২২ বছর। কিন্তু তাঁদের দাম্পত্যেও সন্তান আসেনি। নিজের আত্মজীবনী 'দিলীপ কুমার: দ্য সাবস্টেন্স অ্যান্ড দ্য শ্যাডো'-তে তাঁদের সন্তান না হওয়ার কারণ ফাঁস করেছিলেন বলিউডের 'ট্র্যাজেডি কিং'।
7
8
জানিয়েছিলেন বিয়ের পর যখন সায়রা সাত মাসের সন্তানসম্ভবা তখন একবার এক গুরুতর দুর্ঘটনার মুখোমুখি হন তিনি। শুটিং থেকে বাড়ি ফেরার পথে। ফলে, গর্ভপাতের সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে। চিকিৎসকেরা নানা পরীক্ষা করে জানিয়েছিলেন ভবিষ্যতে আর কোনওদিনও সন্তান ধারণ করতে পারবেন না সায়রা।
8
8
যদিও মধুবালার সঙ্গে বিচ্ছেদ, সায়রার সঙ্গে দিলীপ কুমারের সম্পর্কে কোনও আঁচ আনেনি। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত দিলীপ কুমারের পাশে থেকেছেন সায়রা। তাই এক্ষেত্রে বলাই যায়, শুধু দিলীপ-মধুবালা নন, সায়রা-দিলীপের জুটিও প্রেমের আদর্শ ট্র্যাজেডির উদাহরণ।