ভারতে তরুণ প্রজন্ম যাঁদের আয় তুলনামূলক ভাবে কম, তাঁদের কাছে কোটি টাকা জমানো স্বপ্নের মতো।
2
13
বাস্তবে ধারাবাহিক ভাবে সঠিক উপায়ে বিনিয়োগ করলে আপনার সামান্য সঞ্চয় থেকেও একদিন হতে পারে বিপুল অর্থসঞ্চয়৷
3
13
যদি কেউ মাসে ২২,০০০ টাকা আয় করেন, তাহলে ৪ কোটি, ৬ কোটি বা এমনকি ৮ কোটি টাকা জমাতে পারেন। অবসর জীবন কাটবে নিশ্চিন্তে৷
4
13
এই ভাবনা অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি হতে পারে৷ এর মূল চাবিকাঠি হল—জীবনের শুরুতেই বিনিয়োগ শুরু করা৷ নিয়মিত বিনিয়োগ করা আর কম্পাউন্ডিংয়ের শক্তিকে কাজে লাগানো।
5
13
আর্থিক শৃঙ্খলা এবং স্মার্ট বিনিয়োগ- এই দুই পদ্ধতিতেই অল্প অল্প সঞ্চয়ও দীর্ঘ সময়ে বড় সম্পদে পরিণত হয়।
6
13
মাসিক আয়ের একটি অংশ ইকুইটি মিউচুয়াল ফান্ডে SIP (Systematic Investment Plan)-এর মাধ্যমে বিনিয়োগ করলে ধীরে ধীরে সেই অর্থ বৃদ্ধি পায় এবং বাজারভিত্তিক রিটার্নের সুবিধা পাওয়া যায়।
7
13
মধ্যবিত্ত পরিবারে মিউচুয়াল ফান্ডে SIP-এর মাধ্যমে বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট টাকা জমানো যায়৷ SIP-এর মাধ্যমে কম্পাউন্ডিং এর সুবিধাও পাওয়া যাবে৷
8
13
৪ কোটি টাকা জমাতে চাইলে
মাসিক বিনিয়োগ: ১০,০০০ টাকা
সময়কাল: ৩৩ বছর
মোট বিনিয়োগ: ৩৯.৬০ লক্ষ টাকা
প্রত্যাশিত রিটার্ন: ১২%
আনুমানিক লাভ: প্রায় ৩.৯৭ কোটি টাকা
মোট ফান্ড: প্রায় ৪.৩৭ কোটি টাকা
9
13
৬ কোটি টাকা জমাতে চাইলে
মাসিক বিনিয়োগ: ১০,০০০ টাকা
সময়কাল: ৩৬ বছর
মোট বিনিয়োগ: ৪৩.২০ লক্ষ টাকা
প্রত্যাশিত রিটার্ন: ১২%
আনুমানিক লাভ: প্রায় ৫.৭৫ কোটি টাকা
মোট ফান্ড: প্রায় ৬.১৮ কোটি টাকা
10
13
৮ কোটি টাকা জমাতে চাইলে
মাসিক বিনিয়োগ: ১০,০০০ টাকা
সময়কাল: ৩৯ বছর
মোট বিনিয়োগ: ৪৬.৮০ লক্ষ টাকা
প্রত্যাশিত রিটার্ন: ১২%
আনুমানিক লাভ: প্রায় ৮.২৬ কোটি টাকা
মোট ফান্ড: প্রায় ৮.৭৩ কোটি টাকা
11
13
দীর্ঘ সময় ধরে বিনিয়োগ করলে এই লক্ষ্যগুলো সহজেই অর্জন করা সম্ভব, এমনকি তা ছাড়িয়েও যেতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা সবসময়ই তাড়াতাড়ি বিনিয়োগ শুরু করার পরামর্শ দেন।
12
13
৪, ৬ বা ৮ কোটি টাকার রিটায়ারমেন্ট ফান্ড গড়তে প্রয়োজন ধৈর্য, নিয়মিত বিনিয়োগ এবং স্বল্পমেয়াদি প্রলোভন এড়িয়ে চলার মানসিকতা।
13
13
সঠিক পরিকল্পনা মেনে চললে, সীমিত আয়ের একজন মানুষও আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করতে পারেন এবং নিজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে পারেন।