হরমুজ নিয়ে দোলাচল অব্যাহত। ফলে এলপিজি নিয়ে দুশ্চিন্তা পুরোপুরি কাটছে না। এই অবস্থায় ভারত সরকার আগামী দিনে দেশের মানুষের জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবছে। এলপিজির বিকল্প হিসেবে ইথানলের কথা বিবেচনা করছে কেন্দ্র। এই বিষয় নিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই একটি বিস্তারিত 'শ্বেতপত্র' আন্তঃমন্ত্রক প্যানেলের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
2
8
মানিকন্ট্রোল সূত্রে খবর, এই প্রস্তাবে প্রায় ১,০০০ কোটি লিটারের উদ্বৃত্ত ইথানল উৎপাদন ক্ষমতাকে রান্নার কাজে ব্যবহারের কথা ভাবা হয়েছে। আগামী সপ্তাহগুলোতে কেন্দ্র বড় উদ্যোগ নিতে পারে এই বিষয়ে। সরকার এখন এলপিজির পরিপূরক হিসেবে ইথানল ব্যবহার করা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখার পরিকল্পনা করছে।
3
8
সরকার মনে করছে, ইথানল এলপিজির একটি ভাল বিকল্প হতে পারে। ইথানল কার্বন নিঃসরণ এবং গৃহস্থালীর দূষণ কমায়। এটি আমদানিকৃত এলপিজির উপর নির্ভরতাও কমাবে। ফলে ভারত সরকার আগামী দিনে দেশের মানুষের জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবছে।
4
8
বিভিন্ন সূত্রে খবর, সরকার সম্ভবত সাধারণ গৃহস্থালির পরিবর্তে হোটেল, বিমানবন্দর ও রেস্তোরাঁর মতো বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া শুরু করতে চাইবে। এর কারণ হল, এই জায়গাগুলোতেই বৃহৎ পরিসরে এবং অধিক দক্ষতার সঙ্গে পরিবর্তনটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
5
8
ইথানল কী সত্যিই তেলের বিকল্প হতে পারে? আগেই লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি, ভারতের ইথানল ব্লেন্ডিং কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি ই-২০ পেট্রোল অর্থাৎ ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত জ্বালানিকে, একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হিসেবে তুলে ধরেন।
6
8
বর্তমানে এর উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২,০০০ কোটি লিটার বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করছে ৩৮০টিরও বেশি সচল ডিস্টিলারি। পাশাপাশি আরও বেশ কিছু নতুন উৎপাদন কেন্দ্র বর্তমানে তৈরির কাজ চলছে।
7
8
ভারত ইতিমধ্যেই ২০২৫ সালের নির্ধারিত সময়ের আগেই তাদের ‘ই-২০’ মিশ্রণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে ফেলেছে।যা দেশের জ্বালানি রূপান্তর প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
8
8
‘ই-২০’ জ্বালানির মূল ধারণাটি হল- ৮০ শতাংশ পেট্রল এবং ২০ শতাংশ ইথানলের একটি মিশ্রণ। এর মাধ্যমে দেশের তেল আমদানির ব্যয় হ্রাস করা, কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনা এবং ইথানল সরবরাহকারী আখ চাষিদের সহায়তা সম্ভব।