যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত অর্থলগ্নিকারী ও দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপিস্টন সংক্রান্ত সদ্য প্রকাশিত মার্কিন বিচার দপ্তরের নথি দেখে আঁতকে উঠছে গোটা বিশ্ব। প্রায় ৩৫ লক্ষ পাতায় এপিস্টনের সম্পর্কিত শিউরে ওঠা তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে রয়েছে ১ লক্ষ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও শুক্রবার প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত নথিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম এসেছে বহু বার।
2
7
তালিকায় আর কার কার নাম রয়েছে, এই মুহূর্তে যেমন চর্চা তা নিয়ে, তেমন চর্চায় এপিস্টনের দ্বীপে কী কী শিউরে ওঠা ঘটনা ঘটেছে দিনের পর দিন, তা নিয়েও। একাধিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এপিস্টনের ওই প্রমোদ দ্বীপে যা চলত, তা জেনে শিউরে উঠছেন সাধারণ মানুষ।
3
7
যৌন অপরাধী জেফ্রি এপিস্টনের ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ এবং সেখানে ঘটে চলা নারকীয় ঘটনাবলী নিয়ে কেবল চর্চা নয়, আতঙ্ক বিশ্বজুড়ে।
4
7
এর মাঝেই রহস্য এপিস্টনের জীবন নিয়েও। সম্প্রতি এপিস্টন ফাইল থেকে জানা গিয়েছে, কারাগারে যেদিন মৃত্যু হয়েছিল এপিস্টনের, ঠিক তার আগের দিনেই তাঁর মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণা হয়েছিল। মার্কিন বিচার বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত এপিস্টন-সম্পর্কিত রেকর্ডের মধ্যেই এই তথ্যের উল্লেখ রয়েছে, সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে তথ্য তেমনটাই।
5
7
জানা গিয়েছে, অন্তত ২৩টি নথিতে নিউ ইয়র্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা মার্কিন অ্যাটর্নি অফিসের বিবৃতি হিসেবে লেবেল করা হয়েছে। একটি সংস্করণে ৯ আগস্ট, ২০১৯ তারিখ লেখা রয়েছে বলে তথ্য। উল্লেখ্য, ঠিক তার পরের দিন, ১০ আগস্ট সকালে ম্যানহাটনের মেট্রোপলিটন কারেকশনাল সেন্টারে এপিস্টনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
6
7
তথ্য, জেফ্রি এপিস্টকে কারাগারে একটি কমলা রঙের ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল বলে উল্লিখিত রয়েছে, তথ্য তেমনটাই। সেখানে উল্লিখিত, মনে করা হচ্ছে, জামা এবং চাদর দিয়েই ওই ফাঁস তৈরি করা হয়েছিল।
7
7
তার মৃত্যুকে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মহত্যা বলে ঘোষণা করা হয়েছিল, কিন্তু এটি এখনও তদন্তাধীন। এপিস্টনের মৃত্যুর আগের রাতে কী কী ঘটেছিল জেলে, জেল কর্তৃপক্ষের গতিবিধির দিকেও নজর।