ভবিষ্যতের আর্থিক সুরক্ষার জন্য এখন অনেকেই দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ের দিকে ঝুঁকছেন। বিশেষ করে অবসর জীবনের কথা মাথায় রেখে সরকার পরিচালিত তিনটি জনপ্রিয় প্রকল্প ইপিএফ, পিপিএফ এবং এনপিএস নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। তবে কোন স্কিমটি কার জন্য বেশি উপযোগী, তা জানা জরুরি।
2
10
ইপিএফ (এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড) মূলত চাকরিজীবীদের জন্য। বেতন থেকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অংশ কেটে এই তহবিলে জমা হয় এবং সংস্থাও সমপরিমাণ অর্থ জমা দেয়। ফলে কর্মীর সঞ্চয় দ্রুত বাড়ে।
3
10
সরকার প্রতি বছর সুদের হার ঘোষণা করে। অবসর গ্রহণের সময় একসঙ্গে বড় অঙ্কের টাকা পাওয়া যায়। নির্দিষ্ট নিয়ম মানলে কর ছাড়ের সুবিধাও থাকে। নিরাপদ ও স্থিতিশীল রিটার্নের কারণে ইপিএফ চাকরিজীবীদের কাছে জনপ্রিয়।
4
10
অন্যদিকে, পিপিএফ (পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড) এমন একটি স্কিম, যা যে কেউ খুলতে পারেন। বছরে ন্যূনতম ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত জমা রাখা যায়।
5
10
পিপিএফের মেয়াদ ১৫ বছর। সরকার নির্ধারিত সুদের হার পাওয়া যায় এবং সুদসহ পুরো টাকা করমুক্ত থাকে। দীর্ঘমেয়াদি নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পিপিএফ অনেকের প্রথম পছন্দ।
6
10
এনপিএস (ন্যাশনাল পেনশন সিস্টেম) কিছুটা আলাদা। এটি বাজারভিত্তিক বিনিয়োগ প্রকল্প। অর্থাৎ জমা টাকা শেয়ার ও বন্ডে বিনিয়োগ করা হয়। ফলে রিটার্ন বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে ঝুঁকিও থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপত্তা চাইলে ইপিএফ ও পিপিএফ ভাল বিকল্প। আর যারা বেশি রিটার্নের সম্ভাবনা চান এবং কিছুটা ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত, তাঁদের জন্য এনপিএস উপযোগী হতে পারে।
9
10
তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজের আয়, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা বিবেচনা করা প্রয়োজন।
10
10
একটিমাত্র স্কিমে নির্ভর না করে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে ভবিষ্যতের আর্থিক সুরক্ষা আরও মজবুত হতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।