করোনা কালের আতঙ্ক এখনও কাটেনি। ২০২০ সালের মার্চ মাসেই ছড়িয়ে পড়ে ভাইরাসের ঢেউ। দিন কয়েক আগেই জানা যায়, ছ'বছর বাদে, মার্কিন মুলুকে চিন্তা বাড়াচ্ছে সেই ভাইরাসেরই নয়া ভ্যারিয়েন্ট।
2
8
এবার তা নিয়েই সামনে এল আরও বড় তথ্য। দিন কয়েক আগেই জানা যায়, বিএ ৩-২ বা সিকাডা কোভিডের-১৯ এর নতুন একটি ভ্যারিয়েন্ট যা ইতিমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ অন্যান্য কয়েকটি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
3
8
তথ্য, এই ভ্যারিয়েন্ট নতুন নয়। বছর খানেক আগেই প্রথম এর সংক্রমণ সামনে আসে। ২০২৪-এর নভেম্বর মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম ধরা পড়ে বলে জানা গিয়েছে। তারপর ২০২৫-এর জুন মাসে প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সান ফ্রান্সিসকো আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে,নেদারল্যান্ড থেকে ফিরে আসা এক পর্যাটকের মধ্যে কোভিডের এই ভ্যারিয়েন্ট ধরা পড়ে।
4
8
সিডিসি-এর মতে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২৫ টি রাজ্যে এই ভ্যারিয়েন্ট বিএ ৩-২-এর সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। সঙ্গে ২০টি দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে এই ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ। বর্তমানে এটি ডেনমার্ক, জার্মানি ও নেদারল্যান্ড-সহ ইউরোপের বিভিন্ন অংশে সংক্রমণ বাড়াচ্ছে, তথ্য তেমনটাই।
5
8
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিএ.৩.২ হল ওমিক্রনের একটি সাব-লাইন। তবে, বিপুল সংখ্যক মিউটেশনের কারণে এই ভ্যারিয়েন্ট চিন্তা বাড়াচ্ছে ব্যাপকহারে।
6
8
একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে তথ্য, নতুন এই ভ্যারিয়েন্টটিতে আনুমানিক ৭০-৭৫টি মিউটেশন রয়েছে। যার বেশিরভাগই স্পাইক প্রোটিনে। এই স্পাইক প্রোটিনই ভাইরাসের সেই অংশ যা একে মানব কোষে প্রবেশ করতে সক্ষম করে।
7
8
একাধিক সংবাদমাধ্যমে উল্লিখিত, সিকাডা ভ্যারিয়েন্টের কারণে সৃষ্ট উপসর্গগুলো পূর্ববর্তী ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টগুলোর মতোই বলে মনে হয়। উপসর্গগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর, ক্লান্তি, গলা ব্যথা, কাশি এবং নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ থাকা।
8
8
যদিও পরিস্থিতি বিচারে বসিহেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ভ্যারিয়েন্টের কারণে, এখনই ভারতের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্য তেমনটাই।