নতুন ফোন কিনেই স্ক্রিনকে সুরক্ষিত রাখার জন্য স্ক্রিন লাগিয়ে ফেলি আমরা সবাই। এবার সেই নিত্যব্যবহৃত জিনিসেও আসছে বড় বদল। কেন্দ্রীয় সরকার স্মার্টফোনের স্ক্রিন প্রোটেক্টরকে বাধ্যতামূলক বিআইএস রেজিস্ট্রেশনের আওতায় এনেছে। তবে নিয়মটি এখনই নয়, ১ এপ্রিল ২০২৭ থেকে কার্যকর হবে।
2
9
বড়-মাঝারি শিল্পের পাশাপাশি ছোট ও ক্ষুদ্র শিল্পেও যাতে পণ্যের মান বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআইএস (ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড)।
3
9
কোনও পণ্য আইএসআই-এর নির্দিষ্ট মাপকাঠি অনুযায়ী মান যথার্থ হলে ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড বা বিআইএস সিলমোহর দেয়।
4
9
কেন্দ্রের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক ‘কম্পালসরি রেজিস্ট্রেশন অর্ডার, ২০২১’-এ সংশোধন করেছে। নতুন তালিকায় স্মার্টফোনের স্ক্রিন প্রোটেক্টরকে যুক্ত হয়েছে। ফলে নির্দিষ্ট মান পূরণ না করলে ভবিষ্যতে এই পণ্য তৈরি, আমদানি বা বিক্রি করা যাবে না।
5
9
এখনই দোকানের সব স্ক্রিন গার্ড তুলে নেওয়া হচ্ছে না। প্রস্তুতকারক ও আমদানিকারকদের নতুন নিয়ম মেনে নেওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয়েছে। ১ এপ্রিল ২০২৭ থেকে বিআইএস-এর নির্ধারিত মান মেনে চলা এবং প্রয়োজনীয় রেজিস্ট্রেশন থাকা স্ক্রিন প্রোটেক্টরের ক্ষেত্রেই নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
6
9
স্ক্রিন প্রোটেক্টরের জন্য নির্ধারিত হয়েছে IS 19348:2025। এর সরকারি নাম ‘গ্লাস স্ক্রিন প্রোটেক্টর — স্পেসিফিকেশন’। এই ভারতীয় মানে স্ক্রিন প্রোটেক্টরের গুণমান ও নির্দিষ্ট পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করা হয়েছে।
7
9
নতুন স্ক্রিন প্রোটেক্টরের কাচের গুণমান, শক্তি, বৈশিষ্ট্য এবং স্বচ্ছতার মতো বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে। শুধু দেখতে সুন্দর বা ফোনের মাপ অনুযায়ী ফিট করলেই হবে না, নির্ধারিত মান ও পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তাও পূরণ করতে হবে।
8
9
নতুন ব্যবস্থায় প্যাকেজিংয়ের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট তথ্য দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। প্রস্তুতকারকের নাম, ব্যাচ নম্বর এবং প্রোডাক্টের পুরুত্বের মতো তথ্য প্যাকেজিংয়ে উল্লেখ করার কথা বলা হয়েছে। ফলে পণ্য সম্পর্কে গ্রাহকের কাছে আরও স্পষ্ট তথ্য পৌঁছনোর সুযোগ তৈরি হবে।
9
9
নতুন নিয়মের কারণে পরীক্ষার ও মান যাচাইয়ের খরচ বাড়তে পারে। তবে স্ক্রিন প্রোটেক্টরের দাম বাড়বে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত খরচ কতটা গ্রাহকের উপর পড়বে, তা প্রস্তুতকারক ও আমদানিকারকদের ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে।