ধর্ষণের মতো নৃশংস সামাজিক ব্যাধিকে নির্মূল করতে এবং সর্বাধিক নাগরিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন আইনি মডেল কার্যকর রয়েছে। অপরাধ দমনের কার্যকারিতা, অপরাধীর সংশোধন এবং ভবিষ্যৎ অপরাধের সংখ্যা কমিয়ে এনে সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ ও শান্তি বজায় রাখাই যেকোনো বিচারব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
2
12
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই অপরাধের ভয়াবহতা রুখতে যে ধরনের কঠোর আইনি পদক্ষেপ ও দণ্ডবিধি প্রচলিত রয়েছে -
3
12
চীন: এই অপরাধের চূড়ান্ত শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এছাড়া অপরাধের মাত্রাভেদে কিছু ক্ষেত্রে রাসায়নিক বা শারীরিক খোজাকরণ (Castration)-এর মতো অবদমনমূলক শাস্তিও দেওয়া হয়ে থাকে।
4
12
সৌদি আরব: কঠোর শরিয়াহ আইন অনুযায়ী অপরাধীকে প্রথমে চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগ করা হয় এবং তার কয়েক দিনের মধ্যেই জনসমক্ষে শিরশ্ছেদ করা হয়।
5
12
উত্তর কোরিয়া: এই অপরাধের একমাত্র শাস্তি ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে প্রকাশ্যে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা করা।
6
12
আফগানিস্তান: আদালতের রায়ের ওপর ভিত্তি করে সর্বোচ্চ ৪ দিনের মধ্যে অপরাধীর মাথায় গুলি করে অথবা ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।শোনা যায়, জনসমক্ষে অপরাধীর নাকি লিঙ্গচ্ছেদও করা হয়!
7
12
জাপান: সাধারণ ক্ষেত্রে শাস্তির মেয়াদ ২০ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। তবে ডাকাতি বা অন্য কোনও অপরাধের সঙ্গে এই নৃশংসতা যুক্ত থাকলে কিংবা ভুক্তভোগীর মৃত্যু ঘটলে সরাসরি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
8
12
আমেরিকা : বিচারটি কোন রাজ্যের বা ফেডারেল আইনের অধীনে হচ্ছে, তার ওপর শাস্তি নির্ভর করে। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী শাস্তির মেয়াদ কয়েক বছর থেকে শুরু করে আমৃত্যু কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।
9
12
ফ্রান্স: অপরাধের সাধারণ শাস্তি ১৫ বছরের কারাদণ্ড। তবে অপরাধের নৃশংসতা এবং ভুক্তভোগীর শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির পরিমাণ বিবেচনা করে তা ৩০ বছর বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত বর্ধিত হতে পারে।
10
12
নরওয়ে: সম্মতিহীন যেকোনও যৌন আচরণকে এই অপরাধের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অপরাধের ভয়াবহতা অনুযায়ী এখানে ৪ থেকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যেখানে অপরাধীর মানসিক সংশোধনকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
11
12
মিশর: অপরাধের শাস্তি হিসেবে এখনও ঐতিহ্যগত ও কঠোর ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার নিয়ম প্রচলিত রয়েছে
12
12
ইরান: এই ধরনের অপরাধে অপরাধীকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে পাথরের আঘাতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নজিরও রয়েছে।