বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনে খাতা খুলল ‘বিজেপি’। সংক্ষিপ্ত রূপটি সকলের কাছে পরিচিত হলেও, এই বিজেপির সঙ্গে ভারতের কোনও সম্পর্ক নেই। বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সাধারণ নির্বাচনে, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) একটি আসন জিতেছে। দলের প্রার্থী আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলা-১ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন।
2
10
গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে নির্বাচন হয়। ওই দিনই ফল ঘোষণা হয়। নির্বাচন কমিশন (ইসি) দ্বারা ঘোষিত ২৯৭টি আসনের ফলাফল অনুসারে, বিএনপি এবং তার মিত্র দলগুলি ২১২টি আসনে জিতেছে। বিএনপি একাই ২০৯টি আসন পেয়েছে। মিত্রদের মধ্যে গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) এবং গণ অধিকার পরিষদ একটি করে আসন পেয়েছে।
3
10
অন্যদিকে, জামায়েত এবং তার জোটসঙ্গীরা ৭৭টি আসন পেয়েছে। শুক্রবার প্রকাশিত সর্বশেষ ফলাফল অনুসারে, জামায়েত ৬৮টি আসন পেয়েছে এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) ছ’টি আসন পেয়েছে।
4
10
মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। মোট প্রার্থী দাঁড়িয়েছিলেন ২০২৮ জন। এদের মধ্যে ২৭৩ জন নির্দল প্রার্থী ছিলেন। বিএনপি সর্বোচ্চ ২৯১ জনকে প্রার্থী দাঁড় করিয়েছিল। যা সর্বোচ্চ। এছাড়াও, ৮৩ জন মহিলা প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
5
10
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী পার্থ ১,০৫,৫৪৩ ভোট পেয়ে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর প্রার্থী মহম্মদ নজরুল ইসলামকে পরাজিত করেন। নজরুল ৭৫,৩৩৭ ভোট পেয়েছিলেন।
6
10
নির্বাচনী প্রচারে ভোলা ১-কে দক্ষিণের তিলোত্তমায় পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন এবং গৃহস্থালি গ্যাস সংযোগ প্রদানকে শীর্ষ অগ্রাধিকার হিসেবে তুল ধরেছেন।
7
10
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বিএসএস) জানিয়েছে, পার্থ ভোলায় একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন, মাদকের অপব্যবহার রোধ এবং জেলার মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
8
10
পার্থ একজন রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ এবং আইনজীবী এবং ভোলা-১ আসনের প্রাক্তন সংসদ সদস্য (এমপি)। তিনি ঢাকার ব্রিটিশ স্কুল অফ ল-এর অধ্যক্ষও।
9
10
তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু ২০০৮ সালে। ওই বছর তিনি ভোলা-১ আসন থেকে তৎকালীন চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে পরাজিত করেন।
10
10
২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি সংস্থাপন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নামে পরিচিত। পার্থ ভোলা-১ আসনের প্রাক্তন মন্ত্রী ও সাংসদ নাজিউর রহমান মঞ্জু এবং শেখ রেবা রহমানের ছেলে।