ব্যাঙ্কে কেওয়াইসি আপডেট করেননি? লেনদেনে হবে একাধিক সমস্যা
নিজস্ব সংবাদদাতা
২৬ জুন ২০২৬ ০৯ : ০২
শেয়ার করুন
1
11
ভারতের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক নিয়মিতভাবে গ্রাহকদের কেওয়াইসি (KYC) অর্থাৎ (Know Your Customer) তথ্য আপডেট করতে বলে।
2
11
KYC এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ব্যাঙ্ক গ্রাহকের পরিচয় ও ঠিকানা যাচাই করে। এটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে অর্থ পাচার, প্রতারণা এবং অবৈধ লেনদেন রোধ করতে সাহায্য করে।
3
11
অনেক গ্রাহক সময় মতো কেওয়াইসি আপডেট করেন না৷ বারবার ব্যাঙ্কের তরফে মেসেজ করা হলেও এই ধরনের বার্তা উপেক্ষা করেন৷ KYC আপডেটের সময়সীমা গ্রাহকের ঝুঁকির ধরন এবং অ্যাকাউন্টের প্রকার অনুযায়ী আলাদা হতে পারে।
4
11
যদি গ্রাহক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে KYC সম্পন্ন না করেন, তাহলে ব্যাঙ্ক কিছু পরিষেবা বন্ধ করে দিতে পারে। অথবা কিছু পরিষেবায় সীমাবদ্ধতা আসতে পারে৷
5
11
সেক্ষেত্রে গ্রাহক নির্দিষ্ট কিছু লেনদেন করতে পারবেন না৷ টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সমস্যা হবে৷ ব্যাঙ্কিং পরিষেবা পেতে দেরি হবে৷
6
11
কিছু ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নথি জমা না দেওয়া পর্যন্ত অ্যাকাউন্টকে নিয়ম মেনে না চলা অ্যাকাউন্ট (non-compliant) হিসেবে চিহ্নিত করা হতে পারে।
7
11
কেওয়াসিতে গ্রাহকদের সাধারণত পরিচয়পত্রের তথ্য, ঠিকানার প্রমাণ, মোবাইল নম্বর, ই-মেল ঠিকানা, সাম্প্রতিক ছবি এসব ছবি আপডেট করতে হতে পারে৷
8
11
যখন পুরনো তথ্য পরিবর্তন বা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায়, গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য বদলে যায় তখন কেওয়াইসি আপডেট করা প্রয়োজন। সেই কারণেই নির্দিষ্ট সময় পর পর ব্যাঙ্ক কেওয়াইসি আপডেট করতে বলে৷
9
11
KYC-এর জন্য ব্যাঙ্ক সাধারণত আধার কার্ড, প্যান কার্ড, পাসপোর্ট, ভোটার আইডি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য বিদ্যুৎ বা অন্যান্য ইউটিলিটি বিল এই নথিপত্র গ্রহণ করে৷
তবে প্রয়োজনীয় নথির নিয়ম ব্যাঙ্কভেদে আলাদা হতে পারে।
10
11
অফলাইনে নিকটবর্তী ব্যাঙ্ক শাখায় গিয়ে অথবা অনলাইনে ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে বাড়িতে বসেই কেওয়াইসি আপডেট করা যায়৷
11
11
KYC আপডেট করা থাকলে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা স্বাভাবিক থাকে। আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়ে। ঋণ বা ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত হয়৷