২০২৬ সালের এপ্রিল মাস সাধারণ ব্যাঙ্ক গ্রাহকদের জন্য কিছুটা দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ক্যালেন্ডার বলছে, এই মাসে উৎসব, সরকারি ছুটি এবং সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে প্রায় অর্ধেক দিনই ব্যাঙ্কের দরজা বন্ধ থাকতে পারে।
2
12
বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গসহ পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোতে ছুটির তালিকা বেশ দীর্ঘ। আপনি যদি এই মাসে বড় কোনও আর্থিক লেনদেনের পরিকল্পনা করে থাকেন, তবে আগে থেকেই সতর্ক হন।
3
12
কেন এত ছুটি? এপ্রিল মাসের শুরুটাই হচ্ছে ছুটির মেজাজে। ১ এপ্রিল ব্যাঙ্কের বার্ষিক হিসাব-নিকাশ বা 'ইয়ারলি ক্লোজিং'। যদিও এটি সাধারণ অর্থে উৎসবের ছুটি নয়, কিন্তু এদিনে ব্যাঙ্কগুলোতে পাবলিক লেনদেন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে।
4
12
এরপর ৩ এপ্রিল শুক্রবার গুড ফ্রাইডে উপলক্ষে দেশজুড়ে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। ফলে মাসের প্রথম সপ্তাহেই গ্রাহকরা সমস্যায় পড়তে পারেন।
5
12
মাসের মাঝামাঝি সময়ে রয়েছে আরও বড় ছুটি। ১৪ এপ্রিল আম্বেদকর জয়ন্তী এবং ১৫ এপ্রিল বাঙালির পয়লা বৈশাখ। এই দুই দিন টানা ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকায় চেক ক্লিয়ারেন্স বা ড্রাফট তৈরির মতো কাজগুলো থমকে যেতে পারে।
6
12
এছাড়া ১৯ এপ্রিল ও ২০ এপ্রিল যথাক্রমে রবিবার এবং অক্ষয় তৃতীয়া। উত্তর ও দক্ষিণ ভারতের অনেক রাজ্যে অক্ষয় তৃতীয়ার কারণেও ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে।
7
12
এপ্রিল মাসে রবিবার সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে ৫, ১২, ১৯ ও ২৬ এপ্রিল। একইসঙ্গে দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার ১১ ও ২৫ এপ্রিল ব্যাঙ্ক বন্ধ।
8
12
এত ছুটির মধ্যেও গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বর্তমানের ডিজিটাল যুগে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা অনেকটাই হাতের মুঠোয়। ব্যাঙ্কের শাখা বন্ধ থাকলেও নানা পরিষেবাগুলো সচল থাকবে। যেমন-
9
12
নেট ব্যাঙ্কিং ও মোবাইল অ্যাপ: টাকা পাঠানো বা ব্যালেন্স চেক করার জন্য ২৪ ঘণ্টা এই পরিষেবা ব্যবহার করা যাবে।
10
12
ইউপিআই: ফোন-পে, গুগল-পে বা পেটিএম-এর মতো পরিষেবাগুলো ছুটির দিনেও স্বাভাবিক থাকবে।
11
12
এটিএম: নগদ টাকার প্রয়োজনে এটিএম বুথগুলো খোলা থাকবে। তবে টানা ছুটির কারণে অনেক সময় এটিএম-এ নগদ টাকার সংকট দেখা দেয়, তাই আগেভাগেই কিছু নগদ টাকা তুলে রাখতে পারেন।
12
12
জরুরি লেনদেন: যদি কোনও বড় অঙ্কের চেক জমা দেওয়ার থাকে বা লোনের কিস্তি মেটানোর ব্যাপার থাকে, তবে তা মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই সেরে ফেলা ভাল।