২০২৬ সাল নিয়ে আবারও আলোচনায় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা-র ভবিষ্যদ্বাণী।
2
12
বুলগেরিয়ার দৈবশক্তিধারী বাবাভাঙা ১৯৯৬ সালে মারা যান। কিন্তু তার আগে তিনি একবিংশ শতাব্দীরও ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছিলেন।
3
12
৯/১১ হামলা থেকে শুরু করে প্রিন্সেস ডায়নার মৃত্যু, চেরনোবিল বিপর্যয়, এমনকী ব্রেক্সিট সম্পর্কেও ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছিলেন, যা অক্ষরে অক্ষরে সত্য প্রমাণিত হয়েছে।
4
12
বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ বা বড় রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে, আর তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানির দামে, এমন ভবিষ্যদ্বাণী দিয়েছেন বাবা ভাঙ্গা।
5
12
যদিও বাবা ভাঙ্গা সরাসরি ‘পেট্রোল বা ডিজেল’ শব্দটি ব্যবহার করেননি, তবে তিনি 'ইউরোপের জনশূন্যতা' এবং 'বড় যুদ্ধের' যে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বর্তমান সময়ের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিচারে অনেকেই তাকে জ্বালানি সংকটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন।
6
12
বাবা ভাঙ্গার অনুগামীরা মনে করেন তার প্রতিটি কথা ফের একবার ফলে যেতে চলেছে। চলতি বছরে সেরকমই পরিস্থিতি এগিয়েছে।
7
12
যদি বড় দেশগুলির মধ্যে যুদ্ধ বা উত্তেজনা বাড়ে, তাহলে তেলের যোগান কমে যেতে পারে। কারণ বিশ্বের অনেক তেল আসে মধ্যপ্রাচ্যের মতো সংবেদনশীল অঞ্চল থেকে। সেখানে যদি অশান্তি বাড়ে, তাহলে তেল উৎপাদন ও সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়। ফলস্বরূপ আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করে।
8
12
বাবা ভাঙ্গা এই তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা করেছেন। পেট্রোল, ডিজেল, এলপিজি, সিএনজি—সবকিছুর দামই বাড়তে পারে। তার সঙ্গে বাড়ে পরিবহন খরচ।
9
12
পরিবহন খরচ বাড়লে বাজারে সব জিনিসের দাম বাড়তে থাকে। সবজি থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস, এমনকি পরিষেবার খরচও।
10
12
ভারতের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বড়। কারণ ভারত নিজের প্রয়োজনের বেশিরভাগ তেল বিদেশ থেকে আমদানি করে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লেই দেশের সাধারণ মানুষের উপর চাপ পড়ে। ফলে বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হতে পারে।
11
12
বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী, যদি এই ধরনের বৈশ্বিক সংঘাত দীর্ঘদিন ধরে চলে, তাহলে শুধু জ্বালানি নয়, গোটা বিশ্ব অর্থনীতিই চাপে পড়ে যেতে পারে। মুদ্রাস্ফীতি বাড়তে পারে, অনেক দেশে অর্থনৈতিক সংকটও দেখা দিতে পারে।
12
12
বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী কৌতূহল জাগালেও, জ্বালানির দামের ওঠানামা মূলত বাস্তব ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণ দ্বারা প্রভাবিত হয়।