আজকাল ওয়েবডেস্ক: ডিজিটাল লেনদেনের জন্য আগেই চালু হয়েছিল গুগল পে পরিষেবা। এবার চালু হল আরও একটি অ্যাপ। প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অ্যাপল পে (Apple Pay) পরিষেবা চালু এ দেশেও। ফলে এখন থেকে আইফোন ব্যবহারকারীরা দোকান-বাজারে নগদ অর্থ ছাড়া কেনাকাটার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া, বিভিন্ন অ্যাপে কিংবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কেনাকাটা বা লেনদেনের ক্ষেত্রেও অ্যাপল পে ব্যবহারের সুবিধা পাবেন তাঁরা।
2
7
তবে অ্যাপল পে ব্যবহারের ক্ষেত্রে রয়েছে বেশ কয়েকটি সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। রয়েছে আরও কিছু বিশেষ শর্ত। কার্ড ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংযোগ :শুরুতেই অ্যাপল পে-র মাধ্যমে লেনদেনের জন্য শুধুমাত্র এক্সিস ব্যাঙ্কের নির্বাচিত কিছু ভিসা ও মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা যাবে। রূপে বা অন্য কোনও ব্যাঙ্কের কার্ড সংযুক্ত করা যাবে না এই অ্যাপে।
3
7
ইউপিআই সংযোগ:ভারতে অ্যাপল পে মূলত কার্ডভিত্তিক পরিষেবা হিসাবেই চালু হচ্ছে। ইউপিআই পরিষেবার বিকল্প হিসাবে নয়।
4
7
কোন ডিভাইসে ব্যবহার:বর্তমানে আইফোন, আইপ্যাড ও অ্যাপল ওয়াচ থেকে অ্যাপল পে ব্যবহার করা যাবে। ম্যাকবুক বা ম্যাক-এও খুব শীঘ্রই এই সুবিধা আসছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তবে বিভিন্ন ডিভাইসে এর ব্যবহার আলাদা হবে।
5
7
যেসব জায়গায় ব্যবহারযোগ্য:দোকানে কনট্যাক্টলেস বা এনএফসি (NFC) পেমেন্ট টার্মিনালের পাশাপাশি ব্লিংকিট, জোম্যাটো, টাটা ১এমজি, ক্রোমা ও অ্যাপল স্টোরের মতো অ্যাপ এবং ওয়েবসাইটে এটি ব্যবহার করা যাবে।
6
7
নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পিন:প্রতিটি লেনদেনে পিন বা ওটিপ ব্যবহার করতে হবে না এই হবে। তবে ফেস আইডি, টাচ আইডি বা পাসকোডের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন লাগবে। এই অ্যাপে নিরাপত্তার জন্য মার্চেন্টের কাছে মূল কার্ড নম্বর প্রকাশিত হয় না। এটি ইউনিক 'ডিভাইস অ্যাকাউন্ট নম্বর' বা এবং ইউনিক সিকিউরিটি কোড ব্যবহার করে।
7
7
সুবিধা ও ফোন হারানোর ঝুঁকি:অ্যাপল পে ব্যবহার করলেও ক্রেডিট কার্ডের ক্যাশব্যাক, রিওয়ার্ড পয়েন্ট বা অন্যান্য সুবিধা পাওয়া যাবে। ফোন হারিয়ে গেলে 'ডিভাইস লস্ট মোড' অন করলেই অ্যাপল পে পরিষেবা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া স্টোলেন ডিভাইস প্রোটেকশন পরিষেবাও রয়েছে এই অ্যাপে। বর্তমানে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশে চালু এই পরিষেবা। পাশাপাশি বিশ্বের ১১ হাজারের বেশি ব্যাঙ্ক পার্টনারের সঙ্গে অ্যাপল পে যুক্ত রয়েছে।