যোগ্য হয়েও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকছে না? আবেদন ঠিক থাকার পরেও টাকা আটকে যাওয়ার পিছনে থাকতে পারে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের আধার লিঙ্ক বা ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি) সংক্রান্ত সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। তাই টাকা পাওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই যাচাই করে নিন।
2
12
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনায় যোগ্য মহিলাদের প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। এই টাকা সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ডিবিটি-র মাধ্যমে পাঠানো হয়।
3
12
এই প্রকল্পে টাকা পেতে আবেদন গ্রহণ বা অনুমোদিত হওয়াই শেষ কথা নয়। যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাওয়ার কথা, সেটি উপভোক্তার নিজের নামে থাকা এবং আধারের সঙ্গে যুক্ত থাকা জরুরি। ডিবিটি সক্রিয় না থাকলে টাকা পেতে সমস্যা হতে পারে।
4
12
আপনার আধার নম্বর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে লিঙ্ক আছে কি না সেই বিষয়টি নিশ্চিত করুন। ব্যাঙ্কের শাখা, নেট ব্যাঙ্কিং বা ব্যাঙ্কের নির্দিষ্ট পরিষেবার মাধ্যমে আধার সিডিংয়ের ব্যবস্থা থাকতে পারে।
5
12
আধার লিঙ্ক আর ডিবিটি অ্যাকটিভ থাকা একই বিষয় নয়। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আধার যুক্ত থাকা একটি বিষয়, আর সেই আধার এনপিসিআই ম্যাপারে সিড করা ও ডিবিটি-র জন্য সক্রিয় থাকা অপর একটি ধাপ। সরকারি ডিবিটি ব্যবস্থায় আধারকে আর্থিক ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
6
12
সরকারি সুবিধার টাকা আধার-ভিত্তিক ডিবিটি ব্যবস্থায় পাঠানো হলে এনপিসিআই ম্যাপারের মাধ্যমে কোন ব্যাঙ্কে টাকা যাবে, তা ঠিক করা হয়। তাই শুধু আধার-ব্যাঙ্ক লিঙ্ক থাকলেই সবসময় ডিবিটি সফল হবে, বিষয়টি এমন নয়।
7
12
আপনার অ্যাকাউন্টে ডিবিটি সক্রিয় রয়েছে কি না, তা যাচাই করে নেওয়া জরুরি। ডিবিটি সক্রিয় না থাকলে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তাই টাকা আসার অপেক্ষায় না থেকে আগে স্ট্যাটাস পরীক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
8
12
যদি আধার এখনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত না থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের মাধ্যমে আধার সিডিংয়ের আবেদন করা যায়। কিছু ব্যাঙ্কে নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমেও এই পরিষেবা রয়েছে।
9
12
ব্যাঙ্কে আধার সিডিং বা এনপিসিআই ম্যাপিংয়ের জন্য সাধারণত আধার কার্ড এবং ব্যাঙ্কের পাসবুক সঙ্গে রাখতে হবে। ব্যাঙ্কের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট ফর্মও পূরণ করতে হতে পারে।
10
12
অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা যে অ্যাকাউন্টে যাবে, সেটি উপভোক্তার নিজের নামে হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আবেদনে দেওয়া তথ্য এবং ব্যাঙ্কের তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি থাকলে সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই আধার, ব্যাঙ্ক পাসবুক এবং আবেদনে থাকা নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর-সহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভালভাবে মিলিয়ে নিন।
11
12
স্ট্যাটাসে ডিবিটি সক্রিয় না দেখালে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের শাখায় যোগাযোগ করুন। আধার সিডিং এবং এনপিসিআই ম্যাপিংয়ের বিষয়টি পরিষ্কার করে জেনে নিন। প্রয়োজনে ব্যাঙ্কের নির্দিষ্ট আধার সিডিং বা এনপিসিআই ম্যাপার সংক্রান্ত ফর্ম জমা দিতে হতে পারে।
12
12
আগে কোনও সরকারি প্রকল্পের টাকা অ্যাকাউন্টে এসে থাকলেও অন্নপূর্ণা যোজনার ডিবিটি নিয়ে নিজের অ্যাকাউন্টের বর্তমান অবস্থা যাচাই করে নেওয়া ভাল।